> গণ-আন্দোলনে নিপীড়ন-হত্যার কারণে মানুষের নেতিবাচক ধারণায় পুলিশের মধ্যে সৃষ্ট ট্রমা এখনো কাটেনি। এ কারণে পুলিশ তার কর্মকাণ্ডে শতভাগ সক্রিয় নয়।
> অভিযানে গেলে বিক্ষুব্ধ জনতার হামলার আশঙ্কায় পুলিশ অনেকক্ষেত্রে ঘটনাস্থলে যাচ্ছে না। ফলে অপরাধীরা গ্রেপ্তার হচ্ছে না।
>সরকার পতনের পর মানুষ অনেক থানা-গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ায় যানবাহন সংকটের কারণে জরুরি ভিত্তিতে পুলিশ অপারেশনে যেতে পারছে না।
>রাজনৈতিক পরিস্থিতির অনিশ্চয়তা ও নির্বাচিত সরকারের অপেক্ষায় অনেক পুলিশ সদস্য পূর্ণ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন না।
- পুলিশের স্পটভিত্তিক চাঁদাবাজি বন্ধ হওয়ায় টহলে ঢিলেমি। এতে সেখানে চাঁদাবাজ চক্র অতি সক্রিয় হয়েছে।
- ঢাকাসহ তৃণমূল পর্যায়ে বদলির প্রভাব
- উশৃংখল জনতা দমনে বল প্রয়োগ বা অ্যাকশনে গেলে শাস্তির ভয়।
- ডিএমপির ক্রাইমবেজ না বোঝা ও বদলি হওয়ার পর নতুন স্থানের পথঘাট না চেনার কারণে পুলিশ পুরোপুরি সক্রিয়ভাবে কাজ করছে না ।পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা বলেছেন, ৫ আগস্টের পর থেকে মানুষ বেপরোয়া হয়ে গেছে। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামারি খুনোখুনিতে জড়িয়ে পড়ছে। মানুষের মধ্য থেকে পুলিশের ভয় কেটে গেছে। পুলিশ টহলে গেলে তাদের ওপর আক্রমণ করতে দ্বিধা করছে না। এতে পুলিশ ম্যারাথন টহলে ভয় পাচ্ছে। যাদের টহলে পাঠানো হচ্ছে, তারা টহল না দিয়ে সড়কের এক পাশে বসে থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে অপরাধীরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। পুলিশের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ৫ আগস্টের পর একাধিক শীর্ষ সন্ত্রাসী জামিনে ছাড়া পেয়েছেন। এরা কারাগার থেকে মুক্ত হওয়ার পর তাদের লোকজনও সক্রিয় হয়েছে। এতে গ্রুপের সংখ্যা বেড়ে গেছে। ফলে দখল, চাঁদাবাজি ও খুনোখুনির ঘটনা ঘটছে । এসব কারণে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


