ইউক্রেনে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রাথমিকভাবে রাশিয়া ও ইউক্রেন, উভয় দেশের নেতাদের সমালোচনা করলেও সাম্প্রতিক সময়ে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের বিরুদ্ধে বেশ কঠোর অবস্থান নিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি কিয়েভে হামলা বাড়িয়েছে মস্কো। টানা তিনদিন ধরে রুশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ট্রাম্প জানান, তিনি পুতিনের ওপর নাখোশ। চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে রাশিয়া যখন ইউক্রেনে বড় আকারে ড্রোন হামলা চালিয়ে কমপক্ষে ১৩ জনকে হত্যা করে তখন সেই হতাশা আরও তীব্র হয়ে ওঠে।
ট্রাম্প মঙ্গলবার তার ট্রুথ সোশ্যাল নেটওয়ার্কে বলেছেন, ‘পুতিন যে বিষয়টা বুঝতে পারছেন না, তা হলো- আমি না থাকলে রাশিয়ার জন্য অনেক খারাপ কিছু ঘটনা ইতোমধ্যে ঘটে যেত। আমি বলতে চাচ্ছি, সেসব ঘটনা সত্যিই অনেক খারাপ হতো। তিনি আগুন নিয়ে খেলছেন!’ ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এবং সিএনএন উভয়ই জানিয়েছে, ট্রাম্প রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করছেন। এ সপ্তাহেই আসতে পারে এ বিষয়ে ঘোষণা।
রাশিয়ার দাবি, ইউক্রেন বেসামরিক মানুষ লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। এসব হামলা ঠেকাতে ও পাল্টা জবাব দিতেই কিয়েভে হামলার মাত্রা বাড়ানো হয়েছে। মস্কোর দাবি, শান্তি প্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করতেই কিছু ইউরোপীয় দেশের সহায়তায় কিয়েভ এ ধরনের হামলা চালাচ্ছে। ২০ মে থেকে ২৭ মে’র মধ্যে রুশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুই হাজার ৩৩১টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করেছে বলে দাবি করেছে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ট্রাম্প বেশ কয়েকবার পুতিনের প্রশংসা করেছেন। যুদ্ধ অব্যাহত থাকার জন্য ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে দায় দিয়েছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্প কিয়েভের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আলোচনার অচলাবস্থায় মস্কোর অবস্থান নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন


