প্রধান উপদেষ্টার অর্থ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত নতুন বিশেষ সহকারী আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, “পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনা অত্যন্ত সম্ভব। অনেকেই পাচার হওয়া টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে অফার করেছেন। আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ হচ্ছে প্রধান উপদেষ্টা। উনার যে ওয়েট, সেটা ইতোমধ্যে আপনারা হয়ত অনুমান করতে পারছেন। “যেসব স্থানে টাকা গেছে, এতে সেসব দেশ উপকারভোগী। আন্তর্জাতিক আইন আছে, যেহেতু তারা উপকারভোগী, তাই সহজে তারা এটা ছাড়বে না। কিন্তু প্রধান উপদেষ্টাকে উনারাই অফার করছেন এ বিষয়ে সহযোগিতা করার জন্য। আমরা অতিদ্রুত কাজ করছি। আশা করছি আমরা সফল হব।” কারা প্রস্তাব দিয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এটা বলা সম্ভব না। এগুলো বললে কাজে সমস্যা হবে। যারা টাকা নিয়ে গেছে তারাতো বসে নেই। এরমধ্যে যতটুকু বলা সম্ভব সেটুকুই বলছি।”
প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় বিশেষ সহকারীর দায়িত্ব নেওয়ার পর মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন অস্ট্রেলিয়ার ওয়েস্টার্ন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়েরং এ অধ্যাপক। তিনি আরো বলেন, “প্রপার আইন করতে হবে সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে মিল রেখে।আপনি ধরলেই তো টাকা ফেরত আনতে পারবেন না। এখানে কতগুলো মাধ্যম আছে। এসব বিষয়ে আমরা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা পাচ্ছি।বিশ্ব ব্যাংকসহ অনেকেই কাজ করছে।” অর্থনীতির অবস্থা সম্পর্কে আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন,
“আমাদের বৈদেশিক ঋণ ১০০ বিলিয়ন ডলারের উপরে চলে গেছে। ২০১০ সালের পর থেকে বৈদেশিক ঋণের প্রবৃদ্ধির হার অনেক বেড়েছে।একই সঙ্গে ডমেস্টিক রিসোর্স মবিলাইজেশন অনেক কমে গেছে। এক সময় আমাদের ট্যাক্স টু জিডিপি রেশিও ১১/১২ শতাংশ ছিল। এখন সেটা ৭ শতাংশে নেমে গেছে। সুতরাং অভ্যন্তরীণ সম্পদ ব্যবস্থাপনার দিকে আমার নজর দিতে হবে। শেয়ার বাজারের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। বিগত দিনে আমাদের প্রত্যেকের আয় বেড়েছে। তাহলে আমাদের রেভিনিউ তো অনেক বেশি হওয়ার কথা ছিল।”


