বণিক বার্তার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত নারায়ণগঞ্জের আলোচিত ওসমান পরিবারের ব্যবসা-বাণিজ্যের অংশীদার হয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক সদস্য। যিনি এখন পরিবারটির বাড়ি, গাড়িসহ সম্পত্তির দেখভাল করছেন। এক্ষেত্রে বেশ পিছিয়ে রয়েছেন নারায়ণগঞ্জের আরেক প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম দস্তগীর গাজী। স্থানীয় বিএনপির দুটি গ্রুপের মধ্যে তীব্র বিবাদ থাকায় অংশীদার নির্ধারণে বেগ পেতে হচ্ছে বলে তার পরিবারের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়।আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদ, তাজুল ইসলাম, মাহবুব-উল আলম হানিফ, নসরুল হামিদসহ অনেকে অংশীদার খুঁজছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িকভাবে প্রভাবশালী এক ডজনের বেশি আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে কথা বলেছে বণিক বার্তা। তারা বলেছেন, গত দেড় দশকে আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-এমপি থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতারাও বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য গড়ে তুলেছেন। এর মধ্যে বেশির ভাগের ব্যবসা ছিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক। সরকারি প্রকল্পের কাজ বাগিয়ে নিয়ে সেগুলো অন্য ঠিকাদারের কাছে বিক্রি করে দিতেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে ঠিকাদারি ব্যবসা সম্ভব নয়। তবে যেসব ব্যবসায়ী জাতীয় পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত তাদের শিল্প-কারখানাও ঠিকমতো চলছে না। সালমান এফ রহমানের মতো বড় ব্যবসায়ীর কয়েক ডজন প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। এ পরিস্থিতিতে অংশীদার ছাড়া আওয়ামী লীগ নেতাদের পক্ষে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। তাই কেউ কেউ আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবদের মধ্যে থাকা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। অন্যরা সম্পদ বিক্রি করে বিদেশে টাকা নিয়ে যাচ্ছেন।


