ইতিহাস গড়া ৬ জন বিজ্ঞানীকে জানুন
আপনি কি এই আবিষ্কারগুলো ছাড়া একটি পৃথিবী কল্পনা করতে পারেন? নোবেল পুরস্কার বিজয়ী এই বিজ্ঞানীরা সম্ভাবনার সীমানা পেরিয়েছেন, জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন এবং ভবিষ্যতের নতুন উদ্ভাবনের পথ খুলে দিয়েছেন।
জেনিফার ডুডনা এবং এমমানুয়েল শারপেন্টিয়ের জিনোম এডিটিং-এ বিপ্লব এনেছেন। এটিকে আরও দ্রুত, সস্তা এবং আরও নির্ভুল করেছেন। তাদের আবিষ্কার ক্যান্সারের চিকিৎসা এবং জিনগত রোগ নিরাময়ের নতুন দ্বার খুলে দিচ্ছে।

ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড লেজার প্রযুক্তির পথিকৃৎ, যেটি চোখের অস্ত্রোপচার এবং শিল্পে নিখুঁত যন্ত্রাংশ তৈরির পথ সুগম করেছে। তার উদ্ভাবন বিজ্ঞান, চিকিৎসা এবং প্রকৌশলকে চিরতরে পরিবর্তন করেছে।

ফ্রাঁসোয়াজ ব্যারে-সিনুসি এইচআইভি ভাইরাস আবিষ্কার করেন, যা চিকিৎসা এবং জীবন রক্ষাকারী গবেষণার পথ খুলে দেয়। তার কাজ বিশ্বব্যাপী এইডসের বিরুদ্ধে লড়াইকে আজো পথ দেখিয়ে যাচ্ছে।

ফ্রান্সেস আর্নল্ড ‘ডাইরেক্টেড এনজাইম বিবর্তন’-এর
পথিকৃৎ, যা প্রোটিন প্রকৌশলে বিপ্লব এনেছে। তার কাজ চিকিৎসা, টেকসই জৈব-জ্বালানি এবং আরও অনেক ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনছে।

তু ইউইউ আর্টেমিসিনিন আবিষ্কার করেন, যা একটি বিপ্লবী চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে কোটি কোটি মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে। তার উদ্ভাবন ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে বৈশ্বিক লড়াইয়ে এখনও একটি মূল ভিত্তি।

আজ, বিজ্ঞানীদের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ নারী। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে আরও বেশি মেয়েদের অংশগ্রহণের ফলে বিশ্ব উপকৃত হয় আরও উদ্ভাবন, আরও আবিষ্কার এবং সবার জন্য একটি শক্তিশালী ভবিষ্যতের মাধ্যমে।


