রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার নামে টেলিফোনে আড়িপাতা, ফোনালাপ ফাঁস এবং ইন্টারনেট নজরদারির মতো ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন অসাংবিধানিক। নজরদারির এমন সবকিছু শ্বেতপত্র আকারে প্রকাশ এবং টেলিফোনে আড়িপাতা সংস্থা ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) এবং ইন্টারনেট শাটডাউন, কনটেন্ট ফিল্টারিং ও ওয়েবসাইট ব্লকিংয়ের কাজে নিয়োজিত সংস্থা ডিপার্টমেন্ট অব টেলিকমিউনিকেশনস (ডিওটি) বিলুপ্ত করতে হবে।
সিভিল রিফর্ম গ্রুপ-বাংলাদেশ ২.০ আয়োজিত ‘নতুন বাংলাদেশে আড়িপাতা, গোপনীয়তার অধিকার ও বাক স্বাধীনতা’ শীর্ষক সংলাপে এসব দাবি ওঠে।
টিআইবি-র নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন – রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য সংগ্রহের প্রয়োজন আছে। কিন্তু রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা আর সরকারের বহুমত দমনের হাতিয়ার এক ব্যাপার নয়। অন্তর্বর্তী সরকারকে এমন একটা কাঠামো তৈরি করতে হবে তাতে ভবিষ্যতে যারা ক্ষমতায় আসবেন তারা যেন একই সংস্কৃতির কাছে জিম্মি না হন।
সাইবার বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাব্বির বলেন – উন্নত দেশগুলোতে ফোন ট্যাপ করতে গেলে অবশ্যই কোর্ট অর্ডার লাগে। অর্ডার হাতে পেলে অপারেটর অ্যাক্সেস দেয়। কিন্তু আমাদের দেশে অপারেটরকে একপ্রকার বাধ্য করা হয়।


