জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র সদস্য সচিব আখতার হোসেন দৈনিক সমকাল-কে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন : ” … বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য, সামাজিক মূল্যবোধ, আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন, মানবাধিকারকে নিয়ে মধ্যপন্থি দল হতে চাই।
… ধর্মীয় ক্ষেত্রে এনসিপির অবস্থান হলো, মানুষ যেন পূর্ণমাত্রায় ধর্ম পালনের স্বাধীনতা উপভোগ করতে পারে।…বাংলাদেশে যত ধর্ম এবং ধর্মগুলোর যত সম্প্রদায় রয়েছে, তাদের সবার মতামতের প্রতি এনসিপি শ্রদ্ধাশীল। সবাই যেন সমান নাগরিক অধিকার পায়, সে ব্যাপারে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
… এনসিপি হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কারও অনুভূতিতেই আঘাত করবে না। একই সঙ্গে ধর্মকে ব্যবহার করে যে উগ্রপন্থা, এনসিপি তার বিরোধী।
… বিদ্যমান সংবিধানের মূলনীতিতে ধর্মনিরপেক্ষতার নামে বাংলাদেশে ইসলামফোবিয়ার চর্চা হয়েছে। এই শব্দের মধ্য দিয়ে ধর্মের সম্প্রীতির বদলে বিভাজন তৈরি করা হয়েছে। রাজনীতির মাধ্যমে বিভাজন আরও বাড়ছে। ধর্মনিরপেক্ষতা শব্দের যে রাজনীতি, এর বাইরে গিয়ে সম্প্রীতির রাজনীতি করতে চাই।
… এনসিপির বিরুদ্ধে যে প্রশ্ন উঠছে, সমালোচনা হচ্ছে, সেগুলো ইতিবাচক হিসেবে নিচ্ছে এনসিপি। এসব সমালোচনা আমাদের সংশোধিত ও পরিশীলিত করবে। … এনসিপি কোথায় কি বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে? কেউ রাষ্ট্রক্ষমতার ব্যবহার করছে – এগুলো ভুল সমালোচনা।
… এনসিপি গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সংবিধান চাচ্ছে। এর মানে এই নয়, এনসিপি নির্বাচন চায় না।
… আদর্শ, কর্মসূচি এবং নির্বাচনকালীন প্রেক্ষাপটে যে দলের সঙ্গে এনসিপির অবস্থান সবচেয়ে সংগতিপূর্ণ হবে, তাদের সঙ্গে জোট হলেও হতে পারে। জোট হবে না– এমন সিদ্ধান্ত নেই। হবে এমন সিদ্ধান্তও নেই। কার সঙ্গে জোট হবে স্পষ্ট নয়। কারণ, অনেক দলের সঙ্গে কথা বলছি। নানা মাত্রায় কথা হচ্ছে। নির্বাচনের সময় এলে স্পষ্ট হবে। “
আখতার হোসেন
সদস্য সচিব
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)


