সংশ্লিষ্টদের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে প্রতি মাসে ৮০০-র মতো গাড়ি বিক্রি হতো। এখন বিক্রি কমেছে ৯৫ শতাংশ।
জার্মান অডির বিলাসবহুল গাড়ির একমাত্র পরিবেশক প্রোগ্রেস মোটরস এক কোটি ৬৯ লাখ টাকা থেকে তিন কোটি ৯৯ লাখ টাকায় গাড়ি বিক্রি করে। এসব গাড়ি শুধু বিত্তবানরাই কেনেন। প্রোগ্রেস মোটরস’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাদ নুসরাত খান বলেন- গত জুলাই থেকে একটি গাড়িও বিক্রি হয়নি। বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিকেলস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) সভাপতি হাবিব উল্লাহ ডন বলেন – রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর অর্থনীতি নিয়ে মানুষ শঙ্কিত। জুলাই থেকে বিলাসবহুল গাড়ির বিক্রি অনেক কমেছে।’
তার দৃষ্টিতে, সম্ভাব্য ক্রেতারা গাড়ির কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। টয়োটার ল্যান্ড ক্লজার, পাজেরো ও হ্যারিয়ার সিরিজের গাড়ি বিক্রি প্রায় শূন্যের কোঠায়। বারভিডার সভাপতি আরও বলেন – আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে দেয়ার পাশাপাশি টাকার বিপরীতে ডলারের দাম বেশি হওয়ায় দামি গাড়ির দাম আরও বেড়েছে। বৈদ্যুতিক গাড়ি পরিবেশ দূষণ না করলেও সম্প্রতি বিআরটিএ কার্বন কর আরোপ করায় দামি গাড়ির বিক্রি আরও কমেছে বলে মনে করেন তিনি। ক্রেতারা আর্থিকভাবে সতর্ক থাকায় পরিস্থিতি দামি গাড়ি বিক্রির অনুকূল নয় মন্তব্য করেন মোটরস বে’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ খান বিপু।


