একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনিক প্রোটিনের চাহিদা ৫০-৬০ গ্রাম। একটা ডিম থেকে ৬ গ্রামের বেশি প্রোটিন পাওয়া যায়। আমাদের দেশে ডিম প্রোটিনের সবচেয়ে সুলভ উৎস হতে পারে। কিন্তু সাধারণের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে এই অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের দাম। পাঁচই অক্টোবর বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন এক বিবৃতিতে বলেছে, দেশের বাজারে ডিম এবং মুরগির বাচ্চার দাম বাড়িয়ে গত ২০ দিনে ২৮০ কোটি টাকা ভোক্তাদের পকেট থেকে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে। গতকাল বিশ্ব ডিম দিবস-২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার ডিমকে অত্যাবশ্যকীয় খাদ্য হিসেবে ঘোষণার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ডিম সহজলভ্যতার দিক থেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ। সব শ্রেণী-বর্ণ নির্বিশেষে, যাদের ডিম বেশি দরকার তাদের জন্য তা সরবরাহ করতে হবে। ডিমের মূল্য বৃদ্ধির মূল কারণ সিন্ডিকেট উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেছেন, এসব বিষয় মাথায় নিয়েই কাজ করছে সরকার।
লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ওরিয়েন্টাল এন্ড আফ্রিকান স্টাডিজের অধ্যাপক মুশতাক খান মনে করেন, শুধু সুদের হার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতি কমানো সম্ভব নয়। ‘বিষয়টা এ রকম নয় যে মানুষ ব্যাংক থেকে টাকা ধার করে মূল্যস্ফীতি বাড়াচ্ছে। .. যেসব বড় সিন্ডিকেটের মালিকরা হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে বসে আছে এবং তারা সে বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে, আপনাকে সে টাকায় হাত দিতে হবে।’ বলেন মুশতাক খান।


