‘দেশে এখন প্রধানমন্ত্রী শাসিত নাকি রাষ্ট্রপতি শাসিত গনতন্ত্র, সেনাবাহিনী কার অধীনে থাকলে ভালো হবে, দেশকে দশ প্রদেশে ভাগ করলে ভালো হবে কিনা এমন আলোচনা চলছে। মনে হচ্ছে সব সমস্যা আমাদের সংবিধানে। সমস্যা সেখানে না। আমাদের সকলের সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। সমান সুযোগ ছাড়া অধিকারের কথা বলা অর্থহীন। শিক্ষা অর্জন করতে গেলে যদি টাকার বিষয় দাঁড়ায় তাহলে শিক্ষা অধিকার হলো কিভাবে? স্কুলে পড়ার ক্ষেত্রে, হাসপাতালে চিকিৎসা পাওয়ার ক্ষেত্রে, রাস্তায় চলাচলের ক্ষেত্রে, গণযোগাযোগ, শিক্ষা, চিকিৎসাসহ সব ক্ষেত্রে সম অধিকার প্রতিষ্ঠা করা গেলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলা যাবে।।‘
‘আমাদের দেশে নতুন করে যেভাবে গণতন্ত্রের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তা রক্ষা করতে হলে আমাদের ঘরে বসে থাকলে চলবে না। তা না হলে যেকোনো মুহূর্তে এটি হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে। আমাদের মূল দাবি হবে সবার জন্য সমান অধিকার। প্রতিটি ক্ষেত্রে সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে যদি সমতা প্রতিষ্ঠা করা না হয় তাহলে শুধু ভোটাধিকার দিয়ে তেমন কিছুরই পরিবর্তন ঘটানো যায় না। আমরা সমাজেও তাই দেখতে পাই। বড় লোকেরা শুধু নির্বাচিত হতে পারে। আর গরিবদের কাজ শুধু এই পক্ষকে ভোট দেও, নয়তো অন্য পক্ষকে ভোট দেও। গণতন্ত্রের ধারণাকে যদি ভোটের অধিকার থেকে সরিয়ে আনি তাহলে সবাইকে সমান সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে। সর্বশেষ যে আন্দোলন হলো সেটাও গণতন্ত্রের একটি উদাহরণ।‘ ২৭ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জ শহরে সাহিত্য আন্দোলন ‘ধাবমান’ আয়োজিত ‘গণতান্ত্রিক বিপ্লবে জাতীয় সংবিধানের রূপরেখা’ আলোচনায় ড. সলিমুল্লাহ খান এসব কথা বলেন।


