পরিচালন ও উন্নয়ন খাত মিলিয়ে প্রতি বছরই বড় অংকের অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে সরকারকে। যদিও ব্যয়ের তুলনায় রাজস্ব আয় অপর্যাপ্ত। এ অবস্থায় ঘাটতি মেটাতে বরাবরই দেশী ও বিদেশী উৎস থেকে ঋণ নিয়ে চলতে হচ্ছে। আর উচ্চ সুদহারের কারণে দেশী ঋণের সুদ পরিশোধে সরকারকে গুনতে হচ্ছে বাড়তি অর্থ। চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে সুদ পরিশোধে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে তার ৮৯%-ই গেছে দেশী ঋণের পেছনে। এ ৫ মাসে সরকারের পরিচালন ব্যয়ের প্রায় ৪২%-ই গেছে সুদ পরিশোধে। চলতি অর্থবছর শেষে সুদ পরিশোধের পরিমাণ ১ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। এর আগে কখনই এ খাতে এত বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয়নি।
সরকার নিম্ন রাজস্ব আয় ও উচ্চ ব্যয়ের একটি দুষ্টচক্রের মধ্যে পড়ে গেছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। অর্থনীতিবিদ মুস্তফা কে মুজেরী বলেন, ‘এ ধরনের পরিস্থিতি থেকে বের হতে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি ও খেলাপি ঋণ আদায়ের মতো বিষয়গুলোয় যে ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার প্রয়োজন ছিল যেকোনো কারণেই হোক সরকার তা গ্রহণে আগ্রহী নয় কিংবা নিতে পারছে না।’


