নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তি জনগণের অধিকার। আইন অনুযায়ী, ভোজ্যতেল ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধকরণ ব্যতীত বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ। কিন্তু ড্রামের সয়াবিনসহ বেশির ভাগ খোলা ভোজ্যতেলে ভিটামিন ‘এ’ নেই বা পরিমিত মাত্রায় থাকে না। প্লাস্টিকের ড্রাম বারবার ব্যবহারের ফলে ভোজ্যতেল বিষাক্ত হতে পারে। এছাড়া ড্রামের খোলা ভোজ্যতেলে ভেজাল মেশানোর সুযোগ থাকে। আইসিডিডিআর, বি’র এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে ভোজ্যতেলের ৬৫ শতাংশই ড্রামে বাজারজাত করা হয়। এর মধ্যে ৫৯ শতাংশই ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ নয় এবং ৩৪ শতাংশে সঠিক মাত্রায় ভিটামিন ‘এ’ নেই। এসব ড্রামে কোনও ধরনের লেবেল এবং উৎস শনাক্তকরণ তথ্য যুক্ত না করায় ফলে কেউ অপরাধ করলে তাদের চিহ্নিত ও আইনের আওতায় আনাও সম্ভব হয় না।
২০২৩ সালের ১ আগস্ট থেকে প্যাকেটজাত সয়াবিন তেল ছাড়া খোলা সয়াবিন বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল সরকার। কিন্তু তদারকির অভাবে সে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়নি। তুলনামূলক কম দামে ও অল্প পরিমাণ কিনতে পারায় নিম্ন আয়ের মানুষের অনেকেই খোলা সয়াবিন তেলের ওপর নির্ভরশীল। বিক্রেতারা বেশি মুনাফার আশায় বিক্রি করছেন, স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাবে ক্রেতারা খোলা তেল কিনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।


