টেসলার সিইও ইলন মাস্কের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করা তাঁর ট্রান্সজেন্ডার মেয়ে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়ের পর এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি। ২০ বছর বয়সী ভিভান জেনা উইলসন ২০২২ সালে বাবা মাস্কের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন। ওই সময় তিনি জেন্ডার রূপান্তর (ছেলে থেকে মেয়ে হওয়া) ও নিজের নাম পরিবর্তনের অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করেছিলেন। আতঙ্কিত ভিভান তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘আমি অনেক দিন ধরেই আমার ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছিলাম। এখন নিশ্চিত হলাম, যুক্তরাষ্ট্রে আমার কোনো ভবিষ্যৎ নেই। যদিও তিনি (ট্রাম্প) মাত্র চার বছর ক্ষমতায় থাকবেন, হয়তো এখনই ট্রান্সজেন্ডারদের ওপর খড়গহস্ত হবেন না। কিন্তু যে বিপুল সংখ্যক মানুষ তাঁকে জিতিয়ে এনেছে, তারা তো থাকবে। তারাও ট্রাম্পের মতোই ট্রান্সজেন্ডারবিরোধী।’ ইলন মাস্ক ও তাঁর প্রথম স্ত্রী জাস্টিন উইলসনের ঘরে ছয় সন্তান। তাঁদেরই একজন জেনা। রূপান্তরিত নারী জেনা আগে ছেলে ছিলেন। এর আগে জেনা তাঁর বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন, তিনি থেকেও না থাকার মতো। তাঁর রূপান্তরিত (ট্রান্সজেন্ডার) হওয়ার বিষয়টি তিনি মেনে নিচ্ছেন না।
এদিকে মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার পেছনে বেসরকারি স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ‘নব্য মার্ক্সবাদীদের’ দায়ী করেন মাস্ক। জীবনীকার ওয়াল্টার ইসাকসনের সঙ্গে এক আলাপচারিতায় মাস্ক দাবি করেছিলেন, সান্তা মনিকা শহরের ক্রসরোডস স্কুল ফর আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেসই জেনা উইলসনের মাথায় ওই ‘ভাইরাস’ (ছেলে থেকে মেয়ে হওয়ার ইচ্ছা) ঢুকিয়েছে। মেয়ে সম্পর্কে মাস্ক বলেন, ‘ও পুরোপুরি সাম্যবাদী হওয়ার জন্য সমাজতন্ত্র থেকে বিচ্যুত হয় এবং ভাবতে থাকে যে ধনী মানেই খারাপ।’


