নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে ইন্টারনেটের চেয়ে খাবার কেনায় খরচ করা বেশি জরুরি হয়ে পড়েছে
টানা চার মাস দেশে মুঠোফোন ও ইন্টারনেটের গ্রাহক কমেছে। এ সময় মুঠোফোনের গ্রাহক কমেছে ৬১ লাখের বেশি। ৫০ লাখ কমেছে ইন্টারনেটের গ্রাহক। মুঠোফোন অপারেটর ও খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সর্বশেষ বাজেটে মুঠোফোনে কথা বলা ও ইন্টারনেট সেবার ওপর সম্পূরক শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। প্রভাব পড়েছে মুঠোফোন ও ইন্টারনেট সেবায়। পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতিও দায়ী। বিটিআরসি’র তথ্য, চলতি বছর মুঠোফোনের সর্বোচ্চ গ্রাহক ছিল গত জুনে, ১৯ কোটি ৬০ লাখের বেশি। এরপর গ্রাহক কমতে থাকে। অক্টোবরে গ্রাহক ছিল ১৮ কোটি ৯৯ লাখ।
জুনে দেশে সর্বোচ্চ ১৪ কোটি ২১ লাখের বেশি ইন্টারনেট গ্রাহক ছিল। এর পর থেকে টানা চার মাস গ্রাহক কমেছে। অক্টোবরে দেশে ইন্টারনেট গ্রাহক ছিল ১৩ কোটি ৭১ লাখের বেশি। আগে মুঠোফোনে কথা বলা ও ইন্টারনেট সেবার ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) দিতে হতো। চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে তা বাড়িয়ে ২০ শতাংশ করা হয়েছে। এ ছাড়া সিম কার্ড বিক্রির সময় আগে ২০০ টাকা ভ্যাট দিতে হতো; চলতি বাজেটে তা বাড়িয়ে ৩০০ টাকা করা হয়েছে।
অপারেটরগুলো বলছে, জুলাই আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধের পর অনেক গ্রাহকই আর ইন্টারনেট সংযোগে ফেরেননি। নিত্যপণ্যের দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে এক জিবি (গিগাবাইট) ইন্টারনেট কেনার চেয়ে খাবার কেনায় খরচ করা বেশি জরুরি হয়ে পড়েছে।


