পার্বত্য শান্তি চুক্তি’র বিরোধিতা করেই আড়াই দশকের বেশি সময় আগে জেএসএস থেকে বেরিয়ে পাহাড়ের আঞ্চলিক দল ইউপিডিএফের জন্ম হলেও দলটির মুখপাত্র অংগ্য মারমা এখন বলছেন, ‘জেএসএস পার্বত্য শান্তি চুক্তির মূল স্টেকহোল্ডার। এই চুক্তিতে নানা অসংগতি আছে, চুক্তিটি অসম্পূর্ণ। তবু পাহাড়ের অধিকাংশ মানুষ এই চুক্তিটি চায়। ফলে জেএসএস যদি এই চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলন করে এবং তাতে সহযোগিতা চায় তাহলে ইউপিডিএফ আন্তরিকভাবে তাতে শামিল হবে।’ প্রসীত খিসা নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফ মুখপাত্রের এই ‘উপলব্ধিকে স্বাগত’ জানালেও এটা ‘পরিস্থিতি বুঝে হঠাৎ করে বলা’ বলে মনে করেন জেএসএস (সন্তু লারমা) নেতা সজীব চাকমা।
সজীব বলেন, ‘পাহাড়ের অধিকাংশ মানুষ চুক্তির বাস্তবায়ন চায় ইউপিডিএফকে এটা স্বীকার করার জন্য ধন্যবাদ। তারা যদি বিরোধিতা না করত বা সহিংস ভূমিকায় অবতীর্ণ না হত, তাহলে অবশ্যই চুক্তিটি বাস্তবায়িত হত এবং শান্তিপূর্ণ ও রাজনৈতিক উপায়ে সমস্যা সমাধানের জন্য অবশ্যই চুক্তির বাস্তবায়ন হওয়া উচিত।’ তিনি বলেন, ‘আর চুক্তি অসম্পূর্ণ বা পূর্ণ বলতে কিছু নেই। চুক্তি চুক্তিই। বহু সময় নিয়ে, সংগ্রাম ও সংলাপ করে এই চুক্তি হয়েছে। শাসকগোষ্ঠী ন্যূনতম অধিকারও দিতে চায় না। কিন্তু জনসংহতি সমিতি অনেক লড়াই করে এই চুক্তি আদায় করেছে।’


