নতুন দলের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যগুলো তুলে ধরে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলামের লিখিত বক্তব্যের উল্লেখযোগ্য দিক :
- জনগণ ফ্যাসিবাদী – ব্যবস্থা বিলোপের মাধ্যমে একটি
নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের আকাঙ্ক্ষা থেকে এই অভ্যুত্থানে সাড়া দিয়েছিল, যেন জনগণের অধিকারভিত্তিক একটি রাষ্ট্র পুনর্গঠিত হয়। - জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) হবে একটি গণতান্ত্রিক, সমতাভিত্তিক ও জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দল।
- সেকেন্ড রিপাবলিক প্রতিষ্ঠার জন্য গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন অন্যতম প্রাথমিক লক্ষ্য।
- সেকেন্ড রিপাবলিকে জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।
- ভেঙে পড়া রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুনর্গঠন ও তাদের গণতান্ত্রিক চরিত্র রক্ষা হবে অগ্রাধিকার।
- সমাজে ও রাষ্ট্রের সর্বস্তরে বিভেদের বদলে ঐক্য, প্রতিশোধের বদলে ন্যায়বিচার এবং পরিবারতন্ত্রের বদলে মেধা ও যোগ্যতার মানদণ্ড প্রতিষ্ঠা।
- নতুন দলে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির কোনো স্থান হবে না।
- সাধারণ মানুষের সব ধরনের গণতান্ত্রিক ও মৌলিক অধিকারের সুরক্ষাই হবে নতুন দলের রাজনীতির মূলমন্ত্র।
- রাষ্ট্রে বিদ্যমান জাতিগত, সামাজিক, লিঙ্গীয়, ধর্মীয় আর সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ ও বৈচিত্র্য রক্ষার মাধ্যমে একটি বহুত্বপূর্ণ ও সমৃদ্ধ সমাজ বিনির্মাণ।
- জনগোষ্ঠীর কোনো অংশকেই অপরায়ণ করা নয়; বরং রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিককে সমান গুরুত্ব প্রদান ও সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- কৃষি – সেবা – উৎপাদন খাতের যথাযথ সমন্বয়ের মাধ্যমে স্বনির্ভর, আয় – বৈষম্যহীন ও প্রাণ প্রকৃতি – পরিবেশের প্রতি সংবেদনশীল জাতীয় অর্থনীতি গড়ে তোলা।
- অর্থনীতিতে সম্পদ একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে পুঞ্জীভূত হবে না; বরং সম্পদের সুষম পুনর্বণ্টন হবে অর্থনীতির মূলমন্ত্র।
- বেসরকারি খাতের সিন্ডিকেট ও গোষ্ঠীস্বার্থ নিয়ন্ত্রণে দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে ভোক্তা ও জনস্বার্থ সংরক্ষণ।
- আঞ্চলিক সহযোগিতা ও আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব নিশ্চিত করে এবং বিজ্ঞান – প্রযুক্তি খাতে জোর দিয়ে উদ্ভাবনী সংস্কৃতি গড়ে তোলার মাধ্যমে একটি টেকসই, আধুনিক অর্থনীতি গড়ে তোলা।
- ন্যায্যতা ও সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার সংকল্প।


