সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রিলসের প্রভাব নিয়ে এক গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে, যা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে টানা রিলস দেখার কারণে হাইপারটেনশনের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেছে। এই গবেষণাটি ৪ হাজার ৩১৮ জনের ওপর করা হয়েছে এবং এতে দেখা গেছে, বিশেষ করে তরুণ ও মধ্যবয়সী ব্যক্তিদের মধ্যে এই ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। গবেষকরা খুঁজে পেয়েছেন যে, ঘুমানোর আগে রিলস দেখার কারণে শরীরের সিমপ্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেম অধিক সক্রিয় হয়ে ওঠে, ফলে হৃৎস্পন্দন বৃদ্ধি পায় এবং দীর্ঘ সময় একইভাবে থাকার ফলে রক্ত চলাচল স্তিমিত হয়, যা হাইপারটেনশনের জন্ম দিতে পারে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রিলসের প্রভাব নিয়ে এক গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে, যা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে টানা রিলস দেখার কারণে হাইপারটেনশনের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেছে। এই গবেষণাটি ৪ হাজার ৩১৮ জনের ওপর করা হয়েছে এবং এতে দেখা গেছে, বিশেষ করে তরুণ ও মধ্যবয়সী ব্যক্তিদের মধ্যে এই ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। গবেষকরা খুঁজে পেয়েছেন যে, ঘুমানোর আগে রিলস দেখার কারণে শরীরের সিমপ্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেম অধিক সক্রিয় হয়ে ওঠে, ফলে হৃৎস্পন্দন বৃদ্ধি পায় এবং দীর্ঘ সময় একইভাবে থাকার ফলে রক্ত চলাচল স্তিমিত হয়, যা হাইপারটেনশনের জন্ম দিতে পারে।
বেশ কিছুদিন ধরে রিলসের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে আলোচনা চলছে, বিশেষ করে করোনাকালে শর্ট ভিডিওর জনপ্রিয়তা বাড়ায় মানসিক স্বাস্থ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রিলস দেখার ফলে চিন্তার খোরাকের অভাব, সৃজনশীল চর্চার পতন এবং ‘ব্রেন রট’ হওয়ার সমস্যাও দেখা যাচ্ছে। এই গবেষণাটি আরো একটি দিক স্পষ্ট করেছে, তা হলো শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপরও এর প্রভাব পড়ছে, বিশেষ করে ঘুমানোর আগে স্ক্রিন টাইমের কারণে। গবেষকরা এই সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য পরামর্শ দিয়েছেন যে, রিলস দেখার সময় নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। তারা উল্লেখ করেছেন যে, ঘুমানোর আগে ফোন থেকে কিছু সময় দূরে থাকলে ভালো ঘুম হবে এবং শরীরও যথাযথ বিশ্রাম পাবে। এই উপায়টি মানলে রিলসের নেতিবাচক প্রভাব থেকে অনেকটা মুক্ত থাকা সম্ভব।


