মার্কিন নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় ইসরায়েল গাজা এবং লেবাননে হামাস ও হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করছে। যাতে করে নতুন প্রেসিডেন্টের শপথের আগেই একটি অপ্রতিরোধ্য বাস্তবতা তৈরি করা যায়। রয়টার্স জানিয়েছে, তারা কার্যত বাফার জোন সৃষ্টি করতে চাচ্ছে।
যেকোনও অস্ত্রবিরতি চুক্তি বিবেচনার আগে ইসরায়েল নিজের উত্তরের সীমান্ত থেকে হিজবুল্লাহকে সরিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা জোরদার করছে। একইসঙ্গে তারা গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে পুনরায় প্রবেশ করছে। এটিকে উত্তর গাজাকে পুরো উপত্যকা থেকে বিচ্ছিন্ন করার প্রচেষ্টা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ফিলিস্তিনিরা ও জাতিসংঘের সংস্থাগুলো।
লেবাননে শুরু করা স্থল অভিযানে হিজবুল্লাহকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পিছু হটিয়ে লিটানি নদীর ওপারে সরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ইসরায়েলের মতে, রেজুলেশন ১৭০১ কার্যকর করতে এবং উত্তরের প্রায় ৬০ হাজার বাসিন্দার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামরিক পদক্ষেপ জরুরি। ইসরায়েল গাজার সীমানার পাশেও বাফার জোন তৈরির পরিকল্পনা করছে। গাজার জাবালিয়া অঞ্চলে অভিযান নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। ইসরায়েল হয়তো গাজাবাসীদের সেখান থেকে সরিয়ে দিতে চাচ্ছে। ইসরায়েল ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রতিশোধের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে নতুন ফ্রন্ট খোলার ইচ্ছা নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির কর্মকর্তারা।


