জাতিসংঘের বরাত দিয়ে আল জাজিরা ও আই নিউজের প্রতিবেদন বলছে, গাজা থেকে চার কোটি ২০ লাখ টনের বেশি ধ্বংসাবশেষ সরাতে হবে। এতে সময় লাগবে ১০ বছর; আর অর্থ লাগবে প্রায় ৭০ কোটি ডলার। এনভায়রনমেন্টাল কোয়ালিটি অথরিটি অব প্যালেস্টাইনের বরাতে আল জাজিরা বলছে, গাজায় অন্তত ৮৫ হাজার টন বোমা ফেলেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এর মধ্যে অনেক বোমাই ধ্বংসস্তূপের নিচে অবিস্ফোরিত অবস্থায় চাপা পড়ে আছে।
অবিস্ফোরিত বোমা অপসারণের কাজ করে যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘মাইন অ্যাড ভাইজরি গ্রুপ’ (এমএজি)। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক গ্রেগ ক্রোদার এসব বোমায় হতাহতের ঝুঁকির কথা তুলে ধরে বলেন, “অনেকেই আছেন, যারা যথাযথ পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার জন্য অপেক্ষা করবেন না।”
এমন আশঙ্কার ব্যাখ্যায় তিনি ২০০৮ সালের উদাহরণ তুলে ধরেন। বলেন, ওই সময় গাজায় চার সপ্তাহ যুদ্ধ চলে। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরবর্তী দুই বছর অবিস্ফোরিত বোমার মাধ্যমে তিন শতাধিক দুর্ঘটনা ঘটে।
অবিস্ফোরিত বোমার ধারণা দিতে গিয়ে এই বিশেষজ্ঞ বলেন, “বিস্ফোরিত না হওয়ার ঘটনা সাধারণত শহর অঞ্চলেই বেশি ঘটে। গাজায় সেটা ১০ থেকে ৩০ শতাংশ হতে পারে। তবে এটি মূলত নির্ভর করে বোমার ধরনের ওপর।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব বোমা নিষ্ক্রিয় কিংবা অপসারণ করা বেশ জটিল। কারণ এতে অনেক ব্যয়বহুল যন্ত্রপাতি এবং দক্ষ লোকবল প্রয়োজন। কোটি কোটি ডলার ব্যয় করতে হবে। এছাড়া ইসরায়েলের কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হবে; আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে তহবিলও পেতে হবে।


