গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা জাহের আল ওয়াহিদি জানিয়েছেন ইসরাইলী হামলায় প্রায় ৩২ হাজার ১৫১ শিশু তাদের বাবা হারিয়েছে, ৪ হাজার ৪১৭ শিশু মা হারিয়েছে, আর ১ হাজার ৯১৮ শিশু বাবা-মা দুজনকেই হারিয়েছে। তারা এখন তীব্র শূন্যতা আর একাকিত্বের মধ্যে জীবন কাটাচ্ছে। গাজার শিক্ষা ব্যবস্থা এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। জাতিসংঘের রিলিফ এজেন্সি জানাচ্ছে প্রায় ৬ লাখ ৬০ হাজার শিশু এখন স্কুলে যেতে পারছে না, আর ১৪ হাজার ৫০০ শিশুর জীবনযুদ্ধ চিরতরে থেমে গেছে। গাজার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, গাজার ৯৫% স্কুলে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এর ফলে প্রায় ৮৫% শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুরোপুরি অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
তবে সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা হলো মানসিক ইউনিসেফ জানিয়েছে, গাজার প্রায় ১১ লাখ শিশু এখন দুঃস্বপ্ন, ভয় এবং আতঙ্কের মধ্যে বেঁচে রয়েছে। প্রায় ৯৬% শিশু মনে করে, তাদের মৃত্যু অনিবার্য। মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই শিশুদের যন্ত্রণা আগামী প্রজন্ম পর্যন্ত অনুভূত হবে। যুদ্ধের ক্ষতি শুধু শারীরিক নয়, এটি শিশুদের মনের গভীর কোণে এমন দাগ রেখে যাচ্ছে, যা কখনো মুছে ফেলা সম্ভব নয়। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, আমাদের অবি-লম্বে এগিয়ে আসতে হবে তাদের ক্ষতিপূরণের জন্য, তাদের চোখে একটি নতুন আশা এবং ভবিষ্যতের আলোর রেখা তৈরি করার জন্য।


