শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রিসভার সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিদিনই হত্যা মামলা হচ্ছে। তাদের সঙ্গে আসামি করা হচ্ছে সাংবাদিক, সাবেক প্রধান বিচারপতি, সাবেক বিচারপতি, খেলোয়াড়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের।
এক আলোচনায় আইনজীবী সারা হোসেন বলেন – অনেকের রাগ ও ক্ষোভ থাকতে পারে, কিন্তু এ ধরনের মামলা লিখলে কাজ হবে না, টিকবে না। … মামলাগুলো আন্দোলন ও আন্দোলনের ফসলকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
মানবাধিকারকর্মী নূর খান বলেন – হত্যাকাণ্ডের বিচার অবশ্যই করতে হবে। কিন্তু একটা জাতির যখন মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা এমন হয় যে প্রতিশোধ নিতে হবে, তখন আগে যা হয়েছিল এখনো তা-ই হবে। এই গণ-অভ্যুত্থানে বিপুল মানুষের অংশগ্রহণের পরেও এই সংস্কৃতি থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পারিনি।
অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন – একজন খুন হওয়া ছাত্রের অভিভাবককে তার বিচার-বিবেচনা মতো মামলা করা থেকে আমরা বিরত রাখতে পারি না। এরকম ঢালাও মামলা করা বিগত সরকার একটি প্রতিষ্ঠিত সংস্কৃতিতে পরিণত করেছিল। হয়তো এর রেশ দেখছি আমরা এখন। তবে আমরা দেখব যথাযথ তদন্ত ছাড়া কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হন।


