মূল সমস্যা স্পষ্ট: দায়িত্বশীলতা। AI নির্মাতাদের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেই যারা ক্ষতি হওয়ার আগেই তাদের দায় নিতে বাধ্য করবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের AI আইন একটি ভালো প্রথম পদক্ষেপ, কিন্তু এটি ক্ষতির পরেই ব্যবস্থা নেয
বিশ্বের প্রায় ৮০% AI কর্মীবৃন্দ পুরুষ। যদি AI নারীদের জন্য তৈরি হত, তাহলে আমরা লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা, স্বাস্থ্যখাতে বৈষম্য, আর্থিক অসমতা—এসব বিষয়ে বেশি মনোযোগ দেখতে পেতাম, যেগুলো জাতিসংঘ সবচেয়ে জরুরি সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
চ্যাটজিপিটি আমাদের ইমেইল সারসংক্ষেপ করতে সাহায্য করে, কিন্তু AI-এর আসল শক্তি থাকে অদৃশ্য ব্যবস্থাগুলোতে: যেমন, মর্টগেজ সিদ্ধান্ত, স্বাস্থ্য নির্ণয়, চাকরির আবেদন প্রক্রিয়া এবং এসব সবার জন্য সমান সুবিধাজনক নয়।
সবকিছু শুরু হয় ডেটা লেবেলিং থেকে, কিন্তু আমরা এর ব্যাপারে খুব কম কথা বলি। যেমন, ‘আল্লাহু আকবর’—কোটি কোটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হলেও কেউ ডাবলিনের অফিস থেকে এটি ‘সন্ত্রাসবাদী’ হিসেবে লেবেল করতে পারে।
আপনি যদি আজ আপনার ডেটা নিয়ে উদ্বিগ্ন না হন, তাহলে হয় আপনি ভুল তথ্য পেয়েছেন, অথবা অস্বীকার করছেন। এটা কোনো প্যারানয়েডিয়া নয়, এটা বাস্তবতা। আমরা ইতোমধ্যেই টেকনো-ফ্যাসিবাদের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। ডেটা রাজনৈতিক দমন suppression-এর জন্য ব্যবহার হচ্ছে।
আমাদের সম্মিলিত কল্পনায়, AGI (সাধারণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) কেবল কো-অধিকারভুক্ত নয়, এটি কো-শাসিত। এটি শুধু কর্পোরেশন নয়, বরং কমিউনিটিগুলোর সঙ্গে এবং তাদের জন্য তৈরি। এটি সম্মিলিত বুদ্ধিমত্তার রক্ষক, যা নৈতিক ও স্বচ্ছভাবে উন্নয়ন করা হয়।


