গ্রাহকের আস্থা ফেরানোর লক্ষ্যে দুর্বল ব্যাংকগুলোকে তারল্য সহায়তা দেওয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ২দিনে ৭টি ব্যাংককে ভল্ট থেকে ২০,৫০০ কোটি টাকা দেয়া হয়েছে। গভর্নর প্রাথমিকভাবে দুর্বল ব্যাংকগুলোকে ৭০ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশিষ্ট সূত্র। সূত্র জানিয়েছে, মূলত আওয়ামী লীগ আমলে ব্যাপক অনিয়মের কারণে তারল্য সংকটে ভুগতে থাকা বেসরকারি খাতের ব্যাংক ন্যাশনাল ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামি ব্যাংক এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি, ইউনিয়ন ব্যাংকে তারল্য সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সূত্র আরো জানায়, ৫ আগস্টের পর থেকে ব্যাংকগুলো এস আলম গ্রুপের এলসি খুলতে রাজি হচ্ছিল না। এমন পরিস্থিতিতে রমজানের আগে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি নিশ্চিত করতে এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন ভাজ্যতেল, চিনি ও আটা-ময়দার কাম্পানিগুলোর এলসি খুলতেও ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছেন গভর্নর। গত ২০ আগস্ট গভর্নর আহসান এইচ মনসুর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন, দুর্বল ও সমস্যাযুক্ত ব্যাংকগুলোকে টাকা ছাপিয়ে আর সহায়তা দেওয়া হবে না।
এরপর গত ৪ সেপ্টেম্বর তিনি প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ‘তারল্য সংকটে থাকা ‘দুর্বল’ ব্যাংককে সচল রাখতে বিভিন্ন হিসাব-নিকাশ বিবেচনায় নিয়ে গ্যারান্টির মাধ্যমে আন্তঃব্যাংক বাজার থেকে নগদ টাকার ঋণ সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।’ সেই পদ্ধতিতে দুর্বল ব্যাংকগুলো প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা ধার নিয়েছে। কিন্তু তাতে সংকট দূর না হওয়ায় আবারও তারল্য সহায়তা দিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।


