১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ যাদের ঘোষণা দেওয়ার কথা ছিল, তারা পালিয়ে গেল। যে মানুষ সব ভয়ভীতি উপেক্ষা করে, ইউনিফর্ম সার্ভিসে থেকে নাবালক দুটি ছেলে ও নিজের সহধর্মিণীর কথা মনে না রেখে, শুধু দেশপ্রেমের টানে বিদ্রোহ করলেন এবং স্বাধীনতা ঘোষণা করলেন।
এটা একটি রাজনৈতিক দল আমি দেখলাম, আমার কাছে বিস্ময় লেগেছে, দেশপ্রেমী তারা আর সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনী দেশপ্রেমী নিঃসন্দেহে। কারণ, তাদের পূর্বপুরুষেরা এই বাংলাদেশ নির্মাণে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন। তাই স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন মেজর জিয়াউর রহমান, যিনি অন্যতম একজন সেক্টর কমান্ডার। আরও মেজর যাঁরা ছিলেন সেক্টর কমান্ডার সেই সময়, পরে তাঁরা জেনারেল হয়েছেন। পরবর্তী পর্যায়ে আমরা দেখেছি, জনগণ যখন অত্যাচারিত হয়েছে, সেনাবাহিনী জনগণের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এমনটি ২০২৪-এর যে গণ-অভ্যুত্থান, সেখানেও উজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছে। রুহুল কবির রিজভী
বৃহস্পতিবার সিলেটে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন- ‘আমি সেই রাজনৈতিক দলকে বলতে চাই, ইসলামপন্থী সেই রাজনৈতিক দল, একাত্তরে আপনাদের ভূমিকা কী ছিল? আপনারা কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন? আপনারা কোন সেক্টর কমান্ডারের আন্ডারে যুদ্ধ করেছেন? বাংলাদেশে কেউ দেশপ্রেমী নেই, শুধু একটি রাজনৈতিক দল দেশপ্রেমী, এ ধরনের বিভ্রান্তি আপনারা তৈরি করলে মানুষ হাসবে। মানুষ হাসি ছাড়া আর কিছু দেবে না।
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘আজকে দেশপ্রেমী নিয়ে কথা হয়, শুনলে মুখে হাসি পায়। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ যাদের ঘোষণা দেওয়ার কথাছিল, তারা পালিয়ে গেল। যে মানুষ সব ভয়ভীতি উপেক্ষা করে, ইউনিফর্ম সার্ভিসে থেকে নাবালক দুটি ছেলে ও নিজের সহধর্মিণীর কথা মনে না রেখে, শুধু দেশপ্রেমের টানে বিদ্রোহ করলেন এবং স্বাধীনতা ঘোষণা করলেন।…অস্ত্র হাতে এম এ জি ওসমানীর নেতৃত্বে এই বাংলাদেশে থেকে তাঁরা যুদ্ধ করেছেন।…কাজেই ইতিহাস সাক্ষী দেবে, দেশপ্রেমের পরীক্ষায় কারা উত্তীর্ণ। আমরা বলতে চাই না। বিএনপি হচ্ছে সেই দল, যারা মানুষের পাশে থাকে।


