জামায়াত সূত্র জানিয়েছে, বিএনপির সঙ্গে বনিবনা হওয়ার সম্ভাবনা কম-এমনটা ধরে নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য সংসদ নির্বাচনে ইসলামপন্থীদের সঙ্গে একটি নির্বাচনী ঐক্য গড়তে চাইছে জামাত। যদিও তা এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনো রূপ নেয়নি। এ লক্ষ্যে দলটি ইতিমধ্যে অন্তত পাঁচটি ইসলামি দল এবং আলেমদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেছে।
জামায়াত ইতিমধ্যে ইসলামি দলগুলোর সঙ্গে একটা যোগাযোগের সম্পর্ক তৈরি করেছে। এর মধ্য দিয়ে কার্যত কওমি ধারার আলেমদের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের যে বিরোধ বা বিতর্ক, সেটি কমেছে। ইসলামী আন্দোলনের নেতা মুফতি ফয়জুল করিম ও খেলাফত মজলিসের নেতা মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ঐক্য গড়তে তাঁদের কোনো সমস্যা নেই। তবে তার আগে জামায়াতকে ধর্মীয় কিছু বিষয়ে মাওলানা মওদুদীর লেখা নিয়ে আলেমদের সঙ্গে যে বিরোধ, তার সমাধান করতে হবে।
জামায়াত নেতারা মনে করছেন, ইসলামি দলগুলোর মধ্যে নির্বাচনী ঐক্য হবে কি না, সেটি নির্ভর করছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলনের ওপর। জামায়াতের পর ইসলামপন্থীদের সমর্থনের দিক থেকে এই দলটিকে গুরুত্বপূর্ণ ধরা হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে দলটির শীর্ষ পর্যায়ের একজন নেতা জানান, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের জন্য অন্তর্বতী সরকারকে এক বছর সময় দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে দলের নির্বাহী পরিষদে। সেভাবেই তাঁরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।


