আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ১৪ নভেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করেছে- গাজায় ফিলিস্তিনি জনগণকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার ফলে ইসরায়েল যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করেছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের তদন্তে দেখা গেছে- জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতকরণ ব্যাপক ও পরিকল্পিত রাষ্ট্র নীতির অংশ। এসব কাজকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবেও গণ্য করা হয়। সশস্ত্র সংঘাতের আইন অনুযায়ী, বেসামরিক জনগণকে দখলকৃত এলাকা থেকে জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়া নিষিদ্ধ, যদি না এটি বেসামরিক লোকদের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় বা সামরিক কারণে অত্যাবশ্যক হয়।
হামাস বাহিনীকে ধ্বংসের নামে গত এক মাস ধরে ইসরায়েলি সেনারা উত্তর গাজার জাবালিয়া, বেইত লাহিয়া এবং বেইত হানুন শহরগুলো থেকে হাজার হাজার মানুষকে সরিয়ে দিয়েছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, ফিলিস্তিনিদের এই স্থানান্তর সম্ভবত স্থায়ীভাবে পরিকল্পিত। বিশেষ করে বাফার জোন এবং নিরাপত্তা করিডোর এলাকায়। এই পদক্ষেপকে তারা ‘জাতিগত নিধন’ হিসেবে অভিহিত করেছে। তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী স্থায়ী বাফার জোন তৈরি করার কথা অস্বীকার করেছে। ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিওন সা’র সোমবার বলেছেন, উত্তর গাজার যেসব ফিলিস্তিনি তাদের বাড়িঘর থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছে তারা যুদ্ধ শেষ হলে তাদের বাড়িতে ফিরে যেতে পারবে।


