নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইরানের সূত্রগুলো নিউ ইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলা যদি ইরানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে, বিশেষ করে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে, তবে ইরান ব্যাপক কড়া জবাব দেবে। তবে ইসরায়েলি হামলা যদি ইরানের সামরিক ঘাঁটি, বিভিন্ন সামরিক গুদাম লক্ষ্য করে চালানো হয়, তাহলে হয়তো ইরান খুব একটা প্রতিক্রিয়া জানাবে না। ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইসরায়েল যদি ইরানের তেল ও জ্বালানি অবকাঠামো বা পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায় বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হত্যা করে, তবে তার প্রতিক্রিয়া নিশ্চিতের জন্য খামেনি কড়া নির্দেশ দিয়েছেন।
দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কর্তারা বলেছেন, ইসরায়েল যদি ইরানের বড় ধরনের ক্ষতি করে, তবে প্রতিক্রিয়ায় ইরান ১ হাজার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালাতে পারে। পাশাপাশি তেহরান এই যুদ্ধ এড়ানোর সর্বাত্মক চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছে। কুয়েতে সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, তিনি প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে নিশ্চিত আশ্বাস পেয়েছেন যে ইরানের ওপর আক্রমণ চালাতে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানকে তাদের আকাশসীমা ব্যবহার বা তাদের ঘাঁটিতে জ্বালানি নিতে দেয়া হবে না।
এরই মধ্যে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ত হুমকি দিয়ে বলেছেন, ইরানের ওপর হামলা করার পর বিশ্ব বুঝতে পারবে আমাদের প্রস্তুতি ও সক্ষমতা কতটা। সবাই দেখবে আমাদের কার্যদক্ষতা। লেবাননে ইরানি জেনারেল ও হিজবুল্লাহ নেতা নাসারুল্লাহ হত্যার প্রতিশোধ নিতে গত ১ অক্টোবর ইসরায়েলে ১৮০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল ইরান। এরপর থেকে ইরান পাল্টা হামলার আশঙ্কায় রয়েছে।


