শনিবার ভোররাতে ইরানে হামলা চালাতে ইসরায়েলের শতাধিক যুদ্ধবিমান প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়েছে। জেরুজালেম পোস্ট জানিয়েছে, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো প্রথমে সিরিয়ার রাডার নেটওয়ার্কে হামলা চালায়, যাতে ইরান সিরিয়ার কাছ থেকে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলোর অবস্থান সম্পর্কে জানতে না পারে। এর পরই ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো ইরানের দিকে রওনা হয়। আইডিএফ জানিয়েছে-ইসরায়েলি বিমানবাহিনী গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির স্থাপনায় আঘাত করেছে। এসব স্থাপনায় তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়েই ইরান ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছিল। ইসরায়েলি বাহিনী জানিয়েছে, তারা ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাটারি এবং অতিরিক্ত ইরানি আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতায়ও আঘাত হেনেছে। আইডিএফ জানিয়েছে-তাদের অপারেশন শেষ হয়েছে এবং যুদ্ধ বিমান নিরাপদে দেশে ফিরে এসেছে।ইরানের ন্যাশনাল এয়ার ডিফেন্স হেডকোয়ার্টার্স জানিয়েছে- ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান তেহরান, খুজেস্তান ও ইলাম প্রদেশের সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল। আক্রমণগুলো সফলভাবে মোকাবেলা করা হয়েছে, তবে কিছু জায়গায় ‘সীমিত ক্ষতি’ হয়েছে। পেন্টাগন জানিয়েছে, এই হামলার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র জড়িত নয়। হোয়াইট হাউস এই হামলাকে ‘আত্মরক্ষার মহড়া’ বলে বর্ণনা করেছে। ইরানের পরমাণু ও তেল স্থাপনায় হামলা চালানো হলে ওই অঞ্চলে সংঘাত আরও বাড়তে পারে- এই আশঙ্কায় এ ধরনের স্থাপনাকে নিশানা না করতে ইসরায়েলকে আগেই সতর্ক করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।


