পররাষ্ট্র সচিব মো. জসীম উদ্দিন গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার ওয়াশিংটনে অন্তত সাতটি বৈঠক করেছেন। এর মধ্যে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি রিচার্ড ভার্মা, আন্ডার সেক্রেটারি জন বাস ও উজরা জায়া, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ডোনাল্ড লু, প্রিন্সিপাল ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি স্মিথ উইলসন; হোয়াইট হাউজের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সিনিয়র ডিরেক্টর লিন্ডসে ফোর্ড এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ইউএসটিআর ব্রেন্ডন লিঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করেন। মার্কিন ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলে বাংলাদেশকে একটি বড় অংশীদার হিসাবে মূল্যায়ন করে যুক্তরাষ্ট্র এবং সেটির আলোকে দৃঢ় সহযোগিতা গড়তে চায় বাইডেন প্রশাসন।
বাইডেন প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সহযোগিতা, যেমন- বাণিজ্য ও বিনিয়োগের বিষয়গুলো উত্থাপন করে। চলমান বিভিন্ন ধরনের সংস্কার কার্যক্রমে মার্কিন সহায়তার বিষয়েও আলোচনা হয়। মোটাদাগে সহযোগিতার বড় ক্ষেত্রগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহের জায়গা হচ্ছে শ্রম অধিকার, মানবাধিকার, রোহিঙ্গা, আঞ্চলিক নিরাপত্তাসহ অন্যান্য বিষয়। বাংলাদেশকে তারা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে একটি বড় অংশীদার হিসাবে মনে করে- এ বিষয়টিও যুক্তরাষ্ট্র আবার মনে করিয়ে দিয়েছে বলে জানান আরেক কর্মকর্তা।
বাংলা ট্রিবিউন প্রতিবেদন
আওয়ামী লীগ আর রাজনীতিতে ফিরতে পারবে? ফিরলে কীভাবে, কোন কৌশলে ফিরবে? এসব প্রশ্নের জবাব পেতে যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছেন শেখ হাসিনা। ৫ই নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হতে যাচ্ছে। বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের বৈরিতার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে সময়ে সময়ে। অন্যদিকে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প বিজয়ী হলে বাংলাদেশ নিয়ে মার্কিন অবস্থানের হেরফের হতে পারে। ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রেও নতুন বাতাবরণ তৈরি হতে পারে। সুযোগ তৈরি হতে পারে আওয়ামী লীগের জন্যও। যদিও বোদ্ধারা মনে করেন, সরকার পরিবর্তন হলেও যুক্তরাষ্ট্রর নীতি পরিবর্তন খুব একটা হয় না।
মানবজমিন প্রতিবেদন


