ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং আয়ু বাড়াতে এবং ওজন হ্রাসে সহায়ক হতে পারে, তবে এর কিছু নেতিবাচক প্রভাবেরও সম্ভাবনা আছে এমআইটির সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিংএর পরে খাবার খাওয়া স্টেম সেল পুনরুৎপাদন প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে শরীরের আঘাত সারাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে বিজ্ঞানীরা একটি উদ্বেগজনক দিকও খুঁজে পেয়েছেন; স্টেম সেল পুনরুৎপাদনের ফলে যে ক্যান্সারাস মিউটেশন হয় তাদের প্রাথমিক পর্যায়ের টিউমারে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। গবেষকরা দেখেছেন যে ২৪ ঘণ্টার ফাস্টিং এর পর খাওয়ার সময় ইঁদুরদের মধ্যে স্টেম সেলের বৃদ্ধি ছিল উপবাস না করা ইঁদুরদের তুলনায় অনেক বেশি।
ফাস্টিং এর পর খাওয়ার সময় শরীর যখন আবার পুষ্টি পায়, তখন পুনরুৎপাদন প্রক্রিয়ার তীব্রতা বাড়ে, যা স্টেম সেলগুলোকে বিভাজিত হতে এবং বাড়তে সক্ষম করে। তবে এর ফলে বিশেষায়িত কোষ তৈরির প্রবণতাও বেশি দেখা গেছে। গবেষণার প্রধান লেখক প্রফেসর ওমর ইয়িলমাজের মতে – শরীরে স্টেম সেল এক্টিভিটি বেশী থাকলে সেটা পুনরুৎপাদন প্রক্রিয়ার জন্য ভালো, তবে দীর্ঘমেয়াদে খুব বেশি স্টেম সেল এক্টিভিটি নেতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে। প্রফেসর ইয়িলমাজ উল্লেখ করেছেন যে, ‘মানুষের ক্ষেত্রে এটি আরও জটিল হতে পারে।’ তিনি মনে করেন মানবশরীরে এর প্রভাব বুঝতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।


