” – সরকার বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে যেতে চাইবে না। বিএনপি সরকার নিয়ে যতই আক্রমণাত্মক মন্তব্য করুক, সরকারের কেউই বিএনপি নিয়ে কোনো কথা বলছে না। That’s not a coincidence.
— বিএনপি না চাইলে সরকার টিকবে না। সোজা হিসাব। সেক্ষেত্রে ইউনূস বাসায় চলে যাবেন। সংঘাতে যাবেন না। তার একজন এইডের ভাষ্য : কপালে বন্দুক তাক করেও তার কাছ থেকে পছন্দমত তারিখ নেয়া যাবে না। কাজেই আমার মনে হয়, এপ্রিল পর্যন্ত যাবে এবং বিএনপিও সেক্ষেত্রে রাজি হবে।কিন্তু মাঝখান দিয়ে সম্পর্ক একেবারে তলানিতে গেল ম্যান্ডেট প্রশ্নে। ইউনূস নির্বাচনের আগ পর্যন্ত ব্রড ম্যান্ডেট নিয়ে দেশ চালাতে চান।
— বিএনপির চোখে : নির্বাচনের একমাত্র গ্যারান্টি এখন ইউনূসের গুডউইল। বিএনপির আর কোনো ধরণের দাবিই এখন এন্টারটেইন করতে রাজি নন ইউনূস। ফলে বিএনপির কাছে সেই গুডউইল বা কথার মূল্য এখন নেই বললেই চলে।
একজন সাংবাদিককে এক নেতা জানালেন, বিএনপি পারলে ইউনূসকে টেনেহিঁচড়ে নামায় ক্ষমতা থেকে। ইউনূসের অধীনে নির্বাচনের যে গ্রহণযোগ্যতা — যেটা ইউনূসের ট্রাম্পকার্ড — সেটা নিয়ে বিএনপি সম্ভবত খুব একটা আর কেয়ার করছে না।
তবে ইউনূস পরবর্তী কেউ যে এর চেয়ে খারাপ হবে না, সেটা কে গ্যারান্টি দেবে? আর যেনতেন নির্বাচনে ক্ষমতায় আসলে যে একটা প্রশ্ন রয়ে যায়, সেটা বিএনপির চেয়ে কে ভালো বোঝে? এগুলো বিচার করেই বিএনপি হয়তো সিদ্ধান্তে যাবে যে ইউনূসকে সে রাখবে, নাকি রাখবে না।
বিএনপির চোখে এটা তাদেরকে জিম্মি করে রাখার মতো পরিস্থিতি। তারা সেটাকে অবশ্যই ভালোভাবে নিচ্ছে না। সরকারের মধ্যে যে ধরণের ডেফায়েন্স দেখা যাচ্ছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে সরকার আরও বেশি রিলাই করবে ইসলামবাদী দল ও সংগঠনের অনুসমর্থনের উপর। তাদের বিভিন্ন ল্যাঙ্গুয়েজ খুবই পপুলিস্ট হয়ে উঠছে। এটা আখেরে আরবান সেক্যুলার ক্লাস, যারা প্রো-জুলাই, তাদেরকে ইউনূস নিয়ে আরও ক্ষুব্ধ করবে।”


