গত সরকারের সময়ের ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনও বিভিন্ন জায়গায় বহাল তবিয়তে উল্লেখ করে নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী বলেছেন, তাদের সেসব (প্রশাসনের) জায়গা থেকে পরিহার করতে হবে। যদি খুনি ও খুনের হুকুমদাতারা তাদের স্কিলের কারণে থেকে যান, তাহলে আমরা আরেকটি যুদ্ধ ঘোষণা করতে বাধ্য হবো। সেখানে ছাত্ররাই দেশ পরিচালনা করবে, ছাত্ররাই নীতিনির্ধারক হবে।
রাজনৈতিক দলগুলোকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারা টাকা বা মামলার বিনিময়ে রাজনৈতিক সেটেলমেন্টে গিয়েছেন, সেটা জনগণের কাছে স্পষ্ট। আওয়ামী লীগের শিক্ষক,ব্যবসায়ী, বুদ্ধিজীবীদের আশ্রয় দেওয়ার চেষ্টা করছেন। আপনাদের বলতে চাই এধরনের শিশুসুলভ আচরণ আপনারা করবেন না। আগামীতে যদি আরও প্রকটভাবে আমরা বিষয়গুলো দেখতে পাই, তাহলে আপনাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও রাজনৈতিক কলাকৌশল ছাত্র-জনতা নিতে বাধ্য হবে। এই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সংস্কারের যেই আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, সেটিকে যদি আপনারা বাধাগ্রস্থ করার চেষ্টা করেন, তাহলে আগামী নির্বাচনে ছাত্র-জনতা ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে আপনাদের কবর রচনা করবে।
নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, জুলাই বিপ্লবে জনমানুষের আকাঙ্ক্ষার বাইরে গিয়ে যারা উপদেষ্টা পরিষদ বর্ধিত করেছে, তাদের কাছে আমরা সুস্পষ্ট বক্তব্য চাইছি। উপদেষ্টা পরিষদের বর্ধিত করার বিষয়ে তাদের বক্তব্য স্পষ্ট করতে হবে। ১৫ নভেম্বর গণঅভ্যুত্থানের ১০০ দিন উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘জুলাই গণহত্যার জন্য দায়ী আওয়ামী লীগের বিচার এবং শহীদ পরিবার ও আহতদের পুনর্বাসনের’ দাবিতে আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।


