কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার গডফাদার জিওফ্র্যে হিনটন জানিয়েছেন ‘দুই ধরণের অনুশোচনা আছে’। ‘একটা হল যেখানে আপনি এমন কিছু করেন যা আপনি জানেন যে আপনার করা উচিত না। অন্যটা হল সেই অনুশোচনা, যেখানে আপনি এমন কিছু একটা করছেন, যা একই পরিস্থিতিতে আপনি আবার করবেন যা ভাল ফল বয়ে আনবেনা। এই দ্বিতীয় অনুশোচনাটি আমার আছে।’ গুগলে এক দশক কাজ করে গত বছর হিনটন পদত্যাগ করেন, যাতে তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানবজাতি অস্তিত্বের সামনে যে হুমকি হাজির করেছে তা নিয়ে খোলামেলা কথা বলতে পারেন।
অধ্যাপক হিন্টন বলেন – ‘একে শিল্প বিপ্লবের সাথে তুলনা করা যায়। কিন্তু, যান্ত্রিক শক্তির বদলে এটা বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতায় মানুষকে ছাড়িয়ে যাবে। আমি উদ্বিগ্ন যে এর শেষ সামগ্রিক পরিণতি হল আমাদের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান সিস্টেম শেষ পর্যন্ত সব কিছুর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিতে পারে।
নিজেদের চেয়ে বুদ্ধিমান কিছু ব্যবহার করার অভিজ্ঞতা মানুষের নেই।’ ফোনে নোবেল কমিটিকে তিনি বলেন- ‘আমাদের সম্ভাব্য বেশ কিছু ধরণের খারাপ পরিণতি নিয়ে চিন্তিত হবার কারণ আছে, বিশেষত এগুলো (এআই) নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার ঝুঁকি।’ ১৯৮০ সালের দিকে করা জিওফ্র্যে হিনটন এবং জন হপফিল্ড এর আবিষ্কার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্বার উন্মোচন করে। এ বছর তাঁরা যৌথভাবে পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার পেয়েছেন।


