জাতীয় প্রেস ক্লাব ও সচিবালয় এলাকায় জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন কয়েক হাজার আনসার সদস্য। বিকেলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আনসারদের তিন বছর চাকরি করার পর ছয় মাস বিশ্রামে থাকার ‘রেস্ট প্রথা’ বাতিল করে বাকি দাবি বিবেচনার আশ্বাস দেন।
কিন্তু বিকেল পাঁচটার দিকে আনসার সদস্যরা কর্মকর্তাদের ভেতরে জিম্মি করে তাঁদের প্রধান দাবি চাকরি জাতীয়করণ করতে চাপ দেন। বিক্ষোভের কারণে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এ সময় সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়-৫৫ হাজার আনসার সদস্যের চাকরি জাতীয়করণ করতে হলে কত টাকা বাড়তি প্রয়োজন হবে, এসব বিশ্লেষণ না করে প্রজ্ঞাপন জারি করা যায় না।
সচিবালয় অবরুদ্ধ করাকে ‘সরকার অচলের ষড়যন্ত্র’ বলে উপদেষ্টা ও ছাত্রনেতাদের উদ্ধার করতে কয়েক হাজার ছাত্র রাতে মিছিল নিয়ে সেখানে গেলে আনসারদের সাথে তাদের সংঘর্ষ হয়। তাদের ধাওয়ায় ও সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে একপর্যায়ে আনসাররা পালিয়ে যায়। প্রায় ৪০ জন আহত হন। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক (ডিজি) বলেছেন বিশৃঙ্খল আন্দোলনকারীরা অঙ্গীভূত আনসার, যাদের সঙ্গে ব্যাটালিয়ন আনসারের কোনো সম্পর্ক নেই ।


