আমরা যেটা বলেছি , একটি রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করতে হলে পার্লামেন্টে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে জনগণের হাত দিয়ে সম্মিলিতভাবে তা করা উচিত : মির্জা ফখরুল
… (গণঅভ্যুত্থানের পর) সেই সময়ে জাতীয় সরকার হলে তাহলে আরেকটি নির্বাচন হতো না। তাহলে হয়তো আরেকটি পাল্টা ক্যু (অভ্যুত্থান) হয়ে যেত। কারণ বাংলাদেশের মানুষ এখনই একটি বিষয় নিয়ে একমত হতে পারেন না। তখন জাতীয় সরকার হলে তো প্রতিদিনই একেকটি বিষয় নিয়ে বিতর্ক তৈরি হতো। আমরা যেটা চাইছি, একটি নির্বাচিত জাতীয় সরকার। … আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হবে কিনা, এই সিদ্ধান্ত জনগণকে নিতে হবে। গোটা রাষ্ট্র মিলে এই সিদ্ধান্তটি নিতে হবে। পার্লামেন্টে বসে সিদ্ধান্ত নিলে সেটা সবচেয়ে ভালো হয় । … আমরা যেটা বলেছি, একটি রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করতে হলে পার্লামেন্টে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে জনগণের হাত দিয়ে সম্মিলিতভাবে তা করা উচিত।
… ‘বিল্পব’ হলে তার একটি বিপ্লবী বাহিনী থাকবে। কর্মসূচি থাকবে। এখানে তার কিছুই নেই। এখানে যেটা হয়েছে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছে। একটা গণবিস্ফোরণ হয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিস্ট শক্তি ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে। … ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ নিয়ে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। আমরা বিরোধিতা করেছিলাম সেকেন্ড রিপাবলিকের বিষয়ে। ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ নিয়ে আমরা কাজ করছি। … একাত্তর ও চব্বিশকে দুঃখজনকভাবে মুখোমুখি দাঁড় করানো হয়েছে। একাত্তরে যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে মেনে নিতে পারেনি, তাদের মধ্যে এই চেষ্টাটা থাকতে পারে । …আমি মনে করি, ১৯৭১ ও ২০২৪ এক নয়।
… বাংলাদেশের মানুষ ধর্মভীরু, ধর্মান্ধ নয়। আমরা স্পষ্টভাষায় বলতে চাই, বাংলাদেশে কোনো ধরনের ধর্মান্ধতাকে আমরা প্রশ্রয় দেব না। এসব (নারী ফুটবল অভিনেত্রীদের কর্মসূচিতে বাধা) যারা করছেন, তারা বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি নয়। … দখল, চাঁদাবাজির ঘটনা যাতে না ঘটে আমাদের পার্টির পক্ষ থেকে সেসব বিষয়ে কঠোরভাবে বলা আছে। পাশাপশি কিছু আছে অতিরঞ্জন। … আমরা কোনো অবস্থাতেই এ ধরনের লোকদের (ঋণখেলাপিদের দলীয় মনোনয়ন) বিবেচনায় রাখব না। এটা আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত। …


