অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেছেন – ‘গণতন্ত্রের কথা বলে আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে সুযোগ দেওয়ার মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে আনার নানা ধরনের চক্রান্ত হচ্ছে। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের কথা যখন সরকারের পক্ষ থেকে বলি, তখন রাজনৈতিক দলগুলো তাদের বক্তৃতায় ও কথায় সেটা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। ডেমোক্রেসির কথা বলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দূতাবাস থেকে চাপ দেওয়ার চেষ্টা করছে- আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা যাবে না।’ তিনি বলেন, ‘১৯৪৫ সালে জার্মানির ফ্যাসিস্ট নাৎসি পার্টিকে যদি নিষিদ্ধ করা হয় এবং এখনো তারা নিষিদ্ধ রয়েছে। সেখান থেকেই বোঝা উচিত আওয়ামী লীগের পরিণতি কী হওয়া উচিত।’
তিনি প্রতিটি ক্যাম্পাসে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে ছাত্র সংসদ নির্বাচন দেওয়ার জন্য ক্যাবিনেটে আলোচনা করার কথা বলেন। আসিফ মাহমুদ আরো বলেন, ‘৫৩ বছরে যে স্টাবলিশমেন্ট ফ্যাসিবাদী আওয়ামী শক্তি গড়ে তুলেছে, সেটা শুধু রাজনৈতিক নয়, সেটা একইসঙ্গে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক। সুতরাং প্রতিটি ক্ষেত্রে আমাদের ফ্যাসিবাদীদের রুখে দিতে হবে। ফ্যাসিবাদ যাতে পুনরায় ফিরে না আসে সে জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে।’ ১৮ নভেম্বর রাতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এক আলোচনা সভায় অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এ আলাপ করেন।


