জাতিগত দাঙ্গায় বিপর্যস্থ মণিপুর অঙ্গরাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে অতিরিক্ত ৫ হাজারেরও বেশি আধা-সামরিক বাহিনী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। সোমবার নয়াদিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। গত সপ্তাহে এ রাজ্যে নতুন সংঘর্ষে ১৬ জন নিহত হয়েছে। ভারতের উত্তর-পূর্বের মণিপুরে হিন্দু মেইতি সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং খ্রিস্টান কুকি সম্প্রাদায়ের মধ্যে ১৮ মাসেরও বেশি সময় ধরে পর্যায়ক্রমিক সংঘর্ষ চলছে, যা রাজ্যটিকে বিভিন্ন জাতিগত ছিটমহলে বিভক্ত করে ফেলেছে। সংঘাতে এ পর্যন্ত অন্তত ২০০ জনের প্রাণহানি ঘটায় আগে থেকেই মনিপুরে হাজার হাজার সৈন্য মোতায়েন আছে গত সপ্তাহে পুলিশকে আক্রমণ করার চেষ্টা করার সময় দশজন সশস্ত্র কুকি নিহত হয়েছিল। কয়েকদিন পরে জিরিবাম জেলায় মেইতেই সম্প্রদায়ের বেসামরিক ৬ জনের লাশ পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, তারা প্রতিশোধমূলক হামলায় নিহত হয়েছে। ২০২৩ সালের মে মাসে সংখ্যাগুরু জাতিগোষ্ঠী মেইতেইকে তফসিলি জাতির মর্যাদা দেয় মণিপুর হাইকোর্ট। উচ্চ আদালতের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আন্দোলনে নামে রাজ্যের সংখ্যালঘু কুকি জাতিগোষ্ঠীর লোকজন। কুকিদের এ আন্দোলন অচিরেই রূপ নেয় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায়।


