“প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশনা দিয়েছিলেন, সব ক্ষেত্রে ব্যয় কমানোর জন্য। আমার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয়গুলোতে সিদ্ধান্ত নিয়েছি , সব ক্ষেত্রে ব্যয় কমিয়ে আনব। কাজ একই থাকবে, কিন্তু কম মূল্যে করব। এর ফলে একই টাকা দিয়ে আমরা বেশি পরিমাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারব। সেতু বিভাগের সচিবকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, পদ্মা সেতুতে ব্যয় সংকোচন নীতি গ্রহণ করতে। আমরা ব্যয় সংকোচন নীতি গ্রহণ করে পদ্মা সেতুর নির্মাণ ব্যয় সাশ্রয় করেছি। পদ্মার মূল সেতু নির্মাণে ৫৩০ কোটি, নদীশাসনের কাজে ৮০ কোটি, সংযোগ সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণে ১৭৮ কোটি, মুল্যস্ফীতিজনিত বরাদ্দ ৫০০ কোটি, ভূমি অধিগ্রহণ ১০৩ কোটি, পরামর্শক বাবদ ২০০ কোটি ও অন্যান্য ২৪৪ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে। যদি ভালো সরকার থাকত, তাহলে হয়তো আমরা পদ্মা সেতু আরও অনেক কম ব্যয়ে নির্মাণ করতে পারতাম।“
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান


