দেশে বর্তমানে পেপারের চাহিদা ৯ লাখ টন হলেও উৎপাদন প্রায় ১৫ লাখ টন ।
অভ্যন্তরীণ চাহিদার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ উৎপাদন , বিক্রিতে মন্দা এবং উৎপাদন খরচ বাড়তে থাকায় এক সময়ের স্বয়ংসম্পূর্ণ কাগজ শিল্প এখন টিকে থাকার লড়াইয়ে নেমেছে । খরচ পোষাতে না পেরে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অনেক পেপার মিল । উদ্যোক্তারা জানান , এক সময়ে আমদানি নির্ভর পেপার শিল্পখাত বেসরকারি খাতের ব্যাপক বিনিয়োগে ২০০৯ সালের পরে স্বনির্ভরতা অর্জন করে । দেশের চাহিদা মিটিয়ে বাংলাদেশে উৎপাদিত পেপার ও পেপারজাত পণ্য প্রায় ৪০টি দেশে রপ্তানিও হয় ।
বাংলাদেশ পেপার মিলস অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যমতে , দেশে বর্তমানে পেপারের চাহিদা ৯ লাখ টন হলেও উৎপাদন প্রায় ১৫ লাখ টন । টিকে পেপার প্রডাক্টস লিমিটেড কোম্পানির প্রকল্প পরিচালক মো. রেজাউল হক বলেন , ‘বাজার ও চাহিদা যাচাই না করে একের পর এক বিনিয়োগ ও কম দাম ও নিম্নমানের পণ্য বিক্রির প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এই শিল্পে সংকট তৈরি হয় ।’ ‘প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় পেপারভিত্তিক ডকুমেন্টেশন , ছাপা বইয়ের চাহিদা কমে যাওয়ায় বড় ধাক্কা খেয়েছে দেশের কাগজ শিল্প ,’ যোগ করেন তিনি ।
অ্যাসোসিয়েশনের দেওয়া তথ্য মতে , বিগত কয়েক বছরে কাগজ খাতের ১২টি বড় মিল এবং মাঝারি ও ছোট আকারের ৪৭টি মিল বন্ধ হয়ে গেছে । কাগজশিল্পের প্রধান কাঁচামাল ওয়েস্ট পেপার , পাল্প , কেমিক্যালস ইত্যাদি ৭০% বিদেশ থেকে আমদানি করা হয় ।


