দীর্ঘদিন পর দেশের রপ্তানি বাণিজ্যে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। গত অক্টোবর মাসে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ২০.৬৫% বেড়ে ৪.১৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে এটি ছিল ৩.৪২ বিলিয়ন ডলার। গতকাল রবিবার বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এ তথ্য প্রকাশ করেছে। অক্টোবরে পোশাক খাত ৩.২৯ বিলিয়ন আয় করেছে, যা গত বছরের চেয়ে ২২.৮০% বেশি। এ খাত জাতীয় রপ্তানিতে সর্বোচ্চ অবদান রাখে। গ্রীষ্ম মৌসুমের পোশাক পণ্য পাঠানোর শেষ মাস ছিল অক্টোবর। জুলাই-আগস্টে আন্দোলনের কারণে কম চালান হয়েছে। অক্টোবরে আটকে থাকা পণ্য পাঠানো হয়েছিল, যা রপ্তানি আয় বাড়িয়েছে। তা ছাড়া শীত মৌসুম ও ক্রিসমাসের পণ্য জাহাজীকরণ শুরু হওয়ায় রপ্তানি বাড়ছে।দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের তিনটি বড় উৎস হলো রপ্তানি, প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এবং বিদেশি বিনিয়োগ ও ঋণ। রপ্তানি ও প্রবাসী আয় বাড়লে বৈদেশিক মুদ্রার সংকট কমে। অক্টোবরে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২১ শতাংশ। রপ্তানি ও প্রবাসী আয় বৃদ্ধি, বিপরীতে আমদানি ব্যয় সেভাবে না বাড়ায় সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশ ব্যাংকের চলতি হিসাবে ঘাটতি দূর হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পতনও থেমেছে।জুলাই-আগস্ট মাসে উৎপাদন খাতে যে ধাক্কা লেগেছিল, তা কাটিয়ে সেপ্টেম্বর থেকেই দেশের পণ্য রপ্তানি বাড়তে শুরু করেছে।


