রোহিঙ্গা সংকট ভয়াবহভাবে বাড়ছে
বাংলাদেশে এখন ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। শুধু গত এক মাসেই রাখাইন রাজ্যে সংঘর্ষ বেড়ে যাওয়ায় আরও ২০ হাজার রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে এসেছে। উপদেষ্টা বলেন, “আমাদের সামর্থ্য সীমিত—আর অতিরিক্ত চাপ নিতে পারছি না।”
মিয়ানমারের সমস্যা শুধু এক দেশের না
রাখাইনের সংঘর্ষ শুধু মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার নয়—এটি পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। তাই জাতিসংঘের উচিত এটি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা এবং আঞ্চলিক দেশগুলোকেও আলোচনায় যুক্ত করা। মোঃ তৌহিদ হোসেন, বাংলাদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ।
নিরাপত্তা পরিষদের নীরবতা ভাঙা দরকার
তৌহিদ হোসেন বলেন, “এই পরিষদ আর চুপ থাকতে পারে না। সাধারণ মানুষ যেন কষ্ট না পায়।” তিনি জাতিসংঘকে রাজনৈতিক সমাধান খুঁজতে এবং মিয়ানমারে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শান্তিপ্রক্রিয়া গড়ে তুলতে আহ্বান জানান।
ছোট দেশগুলোর কথাও শুনতে হবে
উপদেষ্টা বলেন – বড় দেশের রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশে যেন ছোট বা উন্নয়নশীল দেশের কণ্ঠস্বর হারিয়ে না যায়। নির্বাচিত সদস্যদের দায়িত্ব হলো মতভেদ ভুলে ঐক্য গড়ে তোলা, এবং নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করা।
আঞ্চলিক সহযোগিতা ছাড়া শান্তি সম্ভব না
শুধু জাতিসংঘ নয়, শান্তি আনতে আঞ্চলিক সংস্থাগুলোকেও যুক্ত করতে হবে। উপদেষ্টা বলেন, “এশিয়া, আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকায় কাজ করা সংগঠনগুলোকে আরও শক্তিশালী করতে হবে—যাতে তারা রাজনৈতিক সমর্থন ও সম্পদ পায়।” বিশ্বশান্তির জন্য সমন্বিত প্রচেষ্টা দরকার।
শান্তির পথে বাংলাদেশের অবস্থান
বাংলাদেশ শান্তির পক্ষেই দাঁড়িয়েছে। উপদেষ্টা বলেন, “আসুন, সবাই মিলে কাজ করি—যাতে বহুপাক্ষিক সহযোগিতা আজকের সংকট মোকাবিলা করতে পারে।”


