সম্প্রতি তাইপেতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তাইওয়ানে যুক্তরাষ্ট্রের ডি ফ্যাক্টো রাষ্ট্রদূত এবং আমেরিকান ইনস্টিটিউট ইন তাইওয়ানের (এআইটি) নতুন পরিচালক রেমন্ড গ্রিন বলেন- যুক্তরাষ্ট্র ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মিত্র জাপান-কোরিয়া-ফিলিপাইনসহ জোট মজবুত করছে। এর লক্ষ্য তাইওয়ান প্রণালী ও দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের সামরিক হুমকি মোকাবেলা করে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করা । তিনি বলেন- এই প্রচেষ্টা এবং পাশাপাশি তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা খাতে বিনিয়োগসহ তাদের প্রশংসনীয় সামরিক সংস্কার যুদ্ধ ঠেকানোর জন্য করা হয়েছে, যুদ্ধপ্রস্তুতির জন্য নয়।
তাইওয়ান প্রণালি ও বৃহত্তর ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখলে তা দুই পক্ষের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সংলাপের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তিতে সহায়ক হবে- বলেন গ্রিন। তিনি তাইওয়ানে মার্কিন অস্ত্র বিক্রি বাড়ানো, প্রয়োজনে যৌথ অস্ত্র উৎপাদনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তাইওয়ান থেকে দক্ষিণ চীন সাগরের বিস্তৃত অংশে বেইজিংয়ের দাবিকে কেন্দ্র করে ২০২২ সাল থেকে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বেশ বিরোধ চলে আসছে। চীন স্ব-শাসিত তাইওয়ানকে ঐতিহাসিকভাবে তার ভূ-খণ্ডের অংশ দাবি করে। অন্যদিকে তাইওয়ানের জনসংখ্যার এক বড় অংশ স্বাধীন থাকতে চায়। তাইওয়ানের নতুন নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে বিচ্ছিন্নতাবাদী চিহ্নিত করে চীন গত মে মাসে দ্বীপটির চারপাশে সামরিক মহড়া চালায়। বিশ্বের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বেশিরভাগ উৎপাদন তাইওয়ানে হয়, বিশ্ব বাণিজ্য পথ হিসেবেও তাইওয়ান প্রণালী গুরুত্বপূর্ণ।


