কোনোভাবেই উগ্রপন্থার অবস্থান বাংলাদেশে হবে না। আমরা যদি দেখি যে আলোচনা এবং সতর্কতার মাধ্যমে সমাধান হচ্ছে না, তাহলে শিগগিরই কঠোর অবস্থানে যাব। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সুযোগ অনেকেই পেয়েছেন, সুযোগের সদ্ব্যবহার না করে দুর্ব্যবহার করলে আমরা অবশ্যই হার্ডলাইনে যাব। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে আমাদের কাছে স্পষ্ট হচ্ছে যে তারা বলছে, বাংলাদেশের চরমপন্থা বা উগ্রপন্থার সুযোগ তৈরি হয়েছে নতুন পরিস্থিতি এবং হাসিনা চলে যাওয়ার কারণে। আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে অবস্থান হচ্ছে, এমন সুযোগ কাউকে নিতে দেওয়া হবে না। বরং বাংলাদেশের যে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আছে, সেটির সুরক্ষা এবং গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে আমরা বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখব। এরই মধ্যে আমরা ভূমিকা রেখেছিও বটে। ভবিষ্যতে আমরা চেষ্টা করব বাংলাদেশ কোনোভাবেই উগ্রপন্থী তৎপরতা, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক উগ্রপন্থা যেন মাথাচাড়া দিতে না পারে। অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রূপান্তরের জন্য আমরা যে কাজ করছি, সেটি যেন সাধন করে যেতে পারি এবং নির্বাচনের মাধ্যমে যথাসময়ে আমরা যাতে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক রূপান্তরে ভূমিকা রাখতে পারি – এটা হচ্ছে আমাদের একমাত্র চাওয়া। বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রপন্থীদের উত্থানের আশঙ্কা করে নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায়, কুমিল্লায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম।


