আগে দেশ থেকে বিদেশে পুঁজি বিনিয়োগের কোনো অনুমোদন দেওয়া হতো না। গত সরকারের আমলে সীমিত আকারে কিছু পুঁজি বিনিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে বিদেশে আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতেই বৈধভাবে বেশি পুঁজি নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিদেশে কারখানা স্থাপনের জন্য কয়েকজন ব্যবসায়ীকে পুঁজি নেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু বৈধভাবে নেওয়া হয়েছে খুবই সামান্য। অবৈধভাবে কয়েকশ গুণ বেশি পুঁজি বিদেশে নেয়া হয়েছে। গত সরকারের প্রভাবশালী অনেক ব্যবসায়ী বিদেশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়েছেন এসব দিয়ে। সম্প্রতি প্রকাশিত অর্থনীতি শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, গত ১৫ বছরে দেশ থেকে প্রতিবছর গড়ে ১৬০০ কোটি ডলার পাচার হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশ থেকে নিট পুঁজি হিসাবে বৈধভাবে বিদেশে নেওয়া হয়েছে ১ কোটি ৯৮ লাখ ডলার যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৪০ কোটি টাকা। গত ৫ বছরে দেশ থেকে নেওয়া এ পুঁজির পরিমাণ সর্বোচ্চ। ডলার সংকটের মধ্যেও এই প্রবণতা বেড়েছে প্রায় ৬০%। গত অর্থবছরে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের বিদেশে বিনিয়োগ করা পুঁজি স্থিতির পরিমাণ আগের চেয়ে কমে দাঁড়িয়েছে ৩২ কোটি ৮৯ লাখ ডলার। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বিদেশে বিনিয়োগ করা পুঁজির স্থিতি ছিল ৩৪ কোটি ১৪ লাখ ডলার। ওই বছরে দেশ থেকে নিট পুঁজি হিসাবে নেওয়া হয়েছিল ১ কোটি ২৪ লাখ ডলার।


