ছাত্র জনতার এবারের গণঅভ্যুত্থান কোন রাজনৈতিক দল বা জোটের নেতৃত্বে হয়নি । এ আন্দোলন এক নতুন সামাজিক শক্তির জন্ম দিয়েছে যার কেন্দ্র সাধারণ শিক্ষার্থীরা ও নেতৃত্বে ’বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ । তাদের ইচ্ছার প্রতিফলনে গঠিত এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বৈধতা ও মেয়াদ নির্ভর করছে তাই জনগণের আকাঙ্ক্ষার ওপরই ।
একটা পর্যায়ে গিয়ে নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন রাজনৈতিক সরকারে যেতে হবে । তার আগে মানুষ চায় রাষ্ট্রকাঠামোর সংস্কার দলীয়করণ ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন , স্বাধীন প্রতিষ্ঠান , প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনী ব্যবস্থা ,অর্থনীতিতে লুটপাটতন্ত্র নিয়ন্ত্রণ , আইনের শাসন , শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন ইত্যাদি ।
কিন্তু এই কাজগুলো গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে অগ্রসর হচ্ছে কিনা তার ওপরই নির্ভর করবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি মানুষের সমর্থন ।
জনগণের মতামত ও ইচ্ছাকে নিরবিচ্ছিন্নভাবে অন্তর্ভুক্ত করার একটা প্রক্রিয়া , কৌশল বা ব্যবস্থা এই সরকারকেই উদ্ভাবন করতে হবে ।


