ইউক্রেন দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে রাশিয়ায় হামলা চালানোয় ওয়াশিংটন ও মস্কো মুখোমুখি লড়াইয়ে নামতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে। রাশিয়ার কঠোর সতর্কবার্তা সত্ত্বেও ইউক্রেন মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এটিএসিএমএস ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রাশিয়ার অভ্যন্তরে হামলা চালায়। পাল্টা হামলার আশঙ্কায় এরই মধ্যে ইউক্রেনে মার্কিন দূতাবাস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দূতাবাস বন্ধ করে দিয়েছে স্পেন, গ্রিস, ইতালিসহ আরও কয়েকটি দেশ। জরুরি পরিস্থিতিতে বা সংকটকালে দুই পক্ষের মধ্যে আলাপের জন্য যে হটলাইন চালু থাকে, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে সেটিও আর সচল নেই।
এ অবস্থায় ইউক্রেনকে মানববিধ্বংসী স্থলমাইন সরবরাহের অনুমতি দিয়েছে জো বাইডেন প্রশাসন। দেওয়া হবে আরও ২৭৫ মিলিয়ন ডলার অস্ত্র ও অর্থ সহায়তা। সব মিলিয়ে ইউক্রেনকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছাচ্ছে।মস্কো বলেছে, ইউক্রেনকে দূরপাল্লার টিএসিএমএস ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার ঘটনা এটাই প্রমাণ করে, পশ্চিমা দেশগুলো এ সংঘাতে উস্কানি দিতে চায়। এটাকে যুক্তরাষ্ট্রের বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
রাশিয়া ইউক্রেনের বিস্তীর্ণ এলাকা অত্যন্ত দ্রুত গতিতে দখলে নিচ্ছে। ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ারের (আইএসডবিউ) তথ্যের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, ২০২৪ সালে রাশিয়া আগের বছরের তুলনায় ছয় গুণ বেশি ভূমি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। পাশাপাশি রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা ইউক্রেন যে আকস্মিক দখলে নিয়েছিল, সে অর্জনও ফিকে হয়ে যাচ্ছে। রুশ সেনারা তাদের পিছু হটাতে বাধ্য করছে।


