বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছেন – প্রধান উপদেষ্টার জাতির উদ্দেশে বক্তব্যে আমি একটু আশাহত হয়েছি। আমি আশা করেছিলাম প্রধান উপদেষ্টা মহোদয় তার সমস্ত প্রজ্ঞা দিয়ে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে নির্বাচনের রূপরেখা দেবেন। মির্জা ফখরুল বলেন, ছাত্রদের সঙ্গে দূরত্ব সৃষ্টি করা যাবে না। এরা তরুণ, এদের উদ্দীপনা এমনই।… এখন একটা পরিবর্তন এসেছে, এটাকে বুঝতে হবে-ছেলেরা কী বলছে? বিএনপির মধ্যে অনেকেই আছেন এটা বলতে রাজি না, ছেলেরা এই লড়াইটা একাই করেছেন। আমরা ১৫ বছর লড়াই করেছি, রক্ত দিয়েছি, কিন্তু একটা বিষয় আছে- গোল দিতে শেষ লাথিটা বলে কে দিয়েছে?
মহাসচিব বলেন, আপনারা কম কষ্ট করেননি, কিন্তু বুক পেতে দিতে দাঁড়াননি। সাঈদ যেভাবে বুক পেতে দাঁড়িয়েছে সেটাই আন্দোলনের টার্নিং পয়েন্ট। ছাত্ররা অনেক কথা বলছে, বলবেই। আমাদের বয়স হয়ে গেছে, আমরা অনেক হিসাবি- কী করা যাবে, কী করা যাবে না। অন্তর্বর্তী সরকারকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, দ্রুত নির্বাচন হলেই দেশের জন্য মঙ্গলজনক। বর্তমান সরকারের ক্ষমতায় থাকার কোনও ম্যান্ডেট নেই, তেমন কোনও শক্তি নেই। তাই যৌক্তিক সময়ের মধ্যে সংস্কার শেষ করে দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানাই। তা না হলে মানুষ ভাববে, দীর্ঘদিন ক্ষমতার থাকার চেষ্টা করছেন আপনারা, যেমন করেছিলেন ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দিন।


