গত ১৯ থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত তিনদিনে যাত্রাবাড়ী এলাকায় আন্দোলনকারীদের দমাতে সর্বোচ্চ ১,৪৯৫ রাউন্ড গুলি ছোড়া হয় ৭.৬২ এমএম চায়না রাইফেল থেকে। এতে প্রাণহানি ঘটে শতাধিক। অত্যাধুনিক এ মারণাস্ত্র দিয়ে প্রতি মিনিটে নির্ভুলভাবে ৩০-৪০ রাউন্ড গুলি চালানো যায়। অত্যাধুনিক এ অস্ত্র ব্যবহার হয় মূলত যুদ্ধক্ষেত্রে। পুলিশকে এ ধরনের মারণাস্ত্র দেয়া শুরু হয় ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর। আওয়ামী লীগ দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর পুলিশের আধুনিকায়নের নামে বাহিনীতে যুক্ত করা হয় ৭.৬২ এমএম চায়না রাইফেল, এসএমজি, এলএমজি, বিডি-৮ অ্যাসল্ট রাইফেল, টরাস ৯ এমএমের মতো যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহার্য অস্ত্র।
অস্ত্র বিশেষজ্ঞ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, পুলিশ ও র্যাব চীনা টাইপ-৫৬ সেমি অটোমেটিক রাইফেলে ৭.৬২ এমএম বুলেট ব্যবহার করে। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে ৭.৬২ এমএম স্নাইপার রাইফেল সংগ্রহের জন্য সর্বশেষ দরপত্র আহ্বান করা হয় ছাত্র-জনতার আন্দোলনের আগে গত মার্চে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে যুদ্ধকালে ব্যবহার্য এসব মারণাস্ত্র শিক্ষার্থী ও জনসাধারণের ওপর ব্যাপক মাত্রায় চালিয়েছে পুলিশ।


