শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে হাইকোর্ট বিভাগের ১২ বিচারপতিকে আপাতত বিচারকাজ না দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিচারপতিদের বেঞ্চ না দেয়ার সিদ্ধান্তটি নিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। তবে সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষ তালিকা জানায়নি।
বিগত সরকারের ‘ফ্যাসিস্ট’ বিচারপতিদের পদত্যাগ দাবিতে গতকাল দুপুরে হাইকোর্ট ঘেরাও কর্মসূচি শুরু করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। অন্যদিকে হাইকোর্ট বিভাগের ‘দলবাজ ও দুর্নীতিবাজ’ বিচারপতিদের পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে বৈষম্যবিরোধী আইনজীবী সমাজ। জাতীয় নাগরিক কমিটি-লিগ্যাল উইং বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেয় ফ্যাসিবাদের দোসর বিচারপতিদের অনতিবিলম্বে অপসারণের দাবিতে। গতকাল বিকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের সঙ্গে আলোচনায় বসে সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষ। আলোচনার পর বিকালে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্টার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘বিচারপতির পদত্যাগ বা অপসারণ এটার একটা প্রক্রিয়া আছে।
বর্তমানে দেশে এ-সংক্রান্ত কোনো আইন নেই। বিগত সরকার সংসদের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের উদ্যোগ নিয়েছিল। একটা সংশোধনী হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট সেটা বাতিল করে দিয়েছেন। সেটা আবার সরকার রিভিউ আকারে পেশ করেছে। আগামী রোববার সেটি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত আপিল বিভাগে শুনানি হবে।’ আজিজ আহমদ ভূঞা আরো বলেন, ‘অন্যদিকে বিচারপতিদের নিয়োগকর্তা হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি। পদত্যাগ বা অপসারণের সে উদ্যোগও রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে হয়ে থাকে। এখানে সুপ্রিম কোর্টের, প্রধান বিচারপতির যেটা করণীয়, উনি সেটা করেছেন।’ রেজিস্টার জেনারেলের এ ঘোষণার পর আন্দোলনকারীরা হাইকোর্ট এলাকা ছাড়েন।


