একাকিত্ব, শারীরিক ও মানসিক নিপীড়ন, চাকরি হারানো, ঠিকমতো বেতন না পাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে প্রবাসী বাংলাদেশী কর্মীরা নানা রকম মানসিক সংকটে ভুগছেন। দেশে ফেরার পর তাদের মানসিক সংকট আরো বেড়ে যায়। বিশেষ করে যারা ব্যর্থ হন কিংবা দীর্ঘ সময় পর দেশে ফেরেন। পুরুষের তুলনায় নারীদের মানসিক সংকট জটিল আকার ধারণ করে। এ সংকট সমাধানে প্রবাসী ও বিদেশফেরতদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। গবেষণার সুপারিশে বলা হয়, অভিবাসন অধ্যুষিত এলাকাগুলোয় কাউন্সেলিং সেবা নিশ্চিত করতে হবে এবং মনোসামাজিক সহায়তা সেবাকে (পিএসএস) সরকারের পুনরেকত্রীকরণ নীতির অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, প্রবাসী কর্মীরা দেশে ফেরার পর একাকিত্ব ও মানসিক সমস্যায় ভুগতে থাকেন। যারা কাউন্সেলিং সেবা পেয়েছেন, তারা দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন। নারীরা এ সেবার মাধ্যমে পুরুষদের তুলনায় দ্রুত সুস্থ হচ্ছেন। রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ব্র্যাকের গবেষণার এসব তথ্য উঠে আসে। সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতায় ‘রিইন্টিগ্রেশন অব মাইগ্রেন্ট ওয়ার্কার্স ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পের অধীনে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক কামাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে এ গবেষণা হয়েছে। ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান স্বাগত বক্তব্য দেন।


